জলাবদ্ধতায় ১ শ পরিবার পানি বন্দী!
- আপলোড তারিখঃ
০৮-০৬-২০২১
ইং
বেগমপুরে সরকারি রাস্তার পাশের জমিতে পুকুর খনন
প্রতিবেদক, হিজলগাড়ী:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর কলোনীপাড়া বাজার সংলগ্ন সরকারি মেইন রাস্তার পাশের জমিতে পুকুর খনন করে মাটি দিয়ে সরকারি খাস জমির গর্ত ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় ১ শ পরিবারের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে চরম ভোগাক্তিতে পড়তে হচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে। দ্রুত পুকুর খনন বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর কলোনীপাড়া বাজার এলাকার প্রভাবশালী চামু ফরাজীর ছেলে মাসুদ ফরাজী কলোনীপাড়া বাজার সংলগ্ন দেড় বিঘা ফসলি জমিতে পুকুর খনন শুরু করেন। হিজলগাড়ী টু উথলী মেইন রাস্তা হওয়ায় রাস্তার পাশেই প্রায় ৫-৬ কাটা খাস জমি নিচু গর্তের মতো অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় সেই গর্তে প্রায় ১ শ পরিবারের টিউবওয়েল ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হত। কিন্তু মাসুদের নিজের জমির পাশাপাশি সরকারি সেই খাস জমির কিছু অংশ দখল পূর্বক খননকৃত পুকুরের একটি পাড় তৈরি করে। তাছাড়া পুকুরের খননকৃত মাটি দিয়ে সেই গর্ত ভরাট করার চেষ্টা করছে। খাসজমির গর্ত ভরাট হলে উক্ত পরিবারগুলোর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। সে কারণে উক্ত পরিবারগুলো বেগমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গণস্বাক্ষরসহ লিখিত অভিযোগ প্রদান করে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ভূমি অফিসের লোকজন সরেজমিনে গিয়ে পুকুর খনন বন্ধ করে দেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! স্থানীয়ভাবে প্রভাবশীল হওয়ায় মাসুদ দিনের বেলাতে পুকুর খনন বন্ধ রাখলেও সন্ধ্যা থেকে ভোরের আজান পর্যন্ত ড্রেজার মেশিন দিয়ে পুকুর খনন অব্যাহত রেখেছেন বরে অভিযোগ রয়েছে। যা নিয়ে চরম উত্তোজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মাসুদ ফরাজী দম্ভোক্তি প্রকাশ করে বলে, দিনের বেলাতে পুকুর খনন নিষেধ থাকলেও রাতের বেলাতে পুকুর খনন করার জন্য নাকি বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাঁকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন আছে। এ বিষয়ে মাসুদ ফরাজীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেনি।
কমেন্ট বক্স