চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের মধ্যস্থতায় ভাঙা সংসার জোড়া লাগল শারমিন-আব্দুর রউফের
- আপলোড তারিখঃ
১২-০৩-২০২১
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় শারমিন আক্তার (২০) ও আব্দুর রউফের (২৪) ভাঙা সংসার জোড়া লাগালেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। জানা যায়, দুই বছর পূর্বে দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আব্দুর রউফের মেয়ে শারমিন আক্তার ও একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুর রউফের বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণে আব্দুর রঊফ তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তারের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়। ধীরে ধীরে আব্দুর রউফ শারমিন আক্তারকে যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। শারমিন আক্তার স্বামীর দুর্ব্যবহার সহ্য করতে না পেরে পিতার বাড়িতে চলে যান এবং বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেন। আব্দুর রউফ তাঁর স্ত্রীর খোঁজখবর নেওয়া ও ভরণ-পোষণ দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা না পেলে শারমিনকে তালাক দেওয়ার হুমকি দেন।
অবশেষে শারমিন আক্তার তাঁর অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম জাহিদের নিকট আসেন। এসময় পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বিষয়টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁর কার্যালয়ে অবস্থিত জেলা ‘উইমেন সাপোর্ট সেন্টার’-এর এএসআই (নিরস্ত্র) মিতা রানীকে দায়িত্ব দেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। এসময় পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় আব্দুর রউফ তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তারকে পুনরায় নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে সংসার করতে এবং তাঁর ভরণ-পোষণ দিতে সম্মত হন।
কমেন্ট বক্স