ওরা চায় মাথা গোঁজার ঠাঁই
- আপলোড তারিখঃ
০৪-০৭-২০২০
ইং
ঝিনাইদহ অফিস:
ভাঙাচোরা বেড়ার ঘরে মুজিবর-রাশেদার সংসার। শোবার ঘরের পাটখাটির বেড়া আর উপরে পলিথিনের ছাউনির রান্নাঘর। সাপ, ব্যাঙ আর কেঁচোর সঙ্গে নিত্য যুদ্ধ। গ্রামের অনেকেই সরকারিভাবে বাড়িঘর পেয়েছেন। কিন্তু মুজিবরের কপালে জোটেনি সরকারি বাড়ি। সামান্য বৃষ্টি আর দমকা বাতাসে ঘরের ছাউনির সঙ্গে নিজেদের প্রাণও উড়ে যায়। এভাবেই এ বৃদ্ধ দম্পত্তি বসবাস করছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে। ওই গ্রামের মতিন, আবেদ খাঁ ও তালেবেরও একই অবস্থা। এরা সবাই হতদরিদ্র, দিন এনে দিন খায়। এদের চোখে কে নো রঙিন স্বপ্ন নেই। এরা চায় একটু নির্ভরতা। মাথা গোজার ঠাঁই। জরাজীর্ণ ছাপড়া ঘরে মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছেন তাঁরা। যেখানে দুই মুঠো খাবারের সন্ধান করতে গিয়েই হিমশিম খেতে হয়, সেখানে ঘর মেরামত করবেন কীভাবে। মুজিবর বলেন, ‘চেয়ারম্যান আমাদের চাল-ডাল দিয়েছে। আমার বয়স্ক ভাতা হয়েছে। তা দিয়ে এবং পরের কাজ করে সংসার চলে। কিন্তু মাথাগোজার একমাত্র জায়গাটুকু খুব খারাপ অবস্থা।’ তিনি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সরকারি ঘর দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে হলিধানী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান মতি জানান, ‘রামচন্দ্রপুর গ্রামের ওই পরিবারকে আমি চিনি। করোনাকালীন সময়ে তাঁদের অনুদান দেওয়া হয়েছে। ঘরের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কমেন্ট বক্স