শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

তিন সন্তান ফিরে পেল বাবা-মা, সাধুবাদ

  • আপলোড তারিখঃ ২২-০৬-২০২০ ইং
তিন সন্তান ফিরে পেল বাবা-মা, সাধুবাদ
আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশের মধ্যস্থতায় জোড়া লাগল ভাঙা সংসার প্রতিবেদক, আলমডাঙ্গা: আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় জোড়া লেগেছে একটি ভাঙা সংসার। মা-বাবার আবার বন্ধনে নিজের পিতা-মাতাকে ফিরে পেয়েছে ৫ বছরের ছেলে শিশুসহ তিন ছেলে। গতকাল রোববার থানা-পুলিশের মধ্যস্থতায় নিজেদের ভুলের অবসান ঘটান আঠারোখাদা গ্রামের লতিকা খাতুন ও নতিডাঙ্গার ফজলে আলী দম্পতি। নতুন করে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে। আলমডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মাসুদুর রহমান জানান, ১৭ বছর পূর্বে বাড়াদী ইউনিয়নের ইউসুফ আলীর মেয়ে লতিকার সঙ্গে একই ইউনিয়নের মৃত আরশেদ আলীর ছেলে ফজলের ইসলাম শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয়। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের কোলে জন্ম নেয় তিনটি পুত্রসন্তান। দাম্পত্য জীবনে অভাব আর সাংসারিক কোলাহলের কারণে এক বছর পূর্বে লতিকা খাতুনকে তালাক দেন ফজলে আলী। ফজলে তালাক দিলেও নিজের সংসারে ফিরতে চেয়েছিলেন লতিকা। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে তিনটি পুত্রসন্তান আছে। ছোট বাচ্চাগুলোর মুখের দিকে তাকিয়ে এক বছর ধরে চেয়ারম্যান, মেম্বারদের নিকট শরাপন্ন হন লতিকা খাতুন। কিন্তু তাঁদের বিচ্ছেদ বন্ধন জোড়া দিতে অপরাগতা স্বীকার করে করেন স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারেরা। তবুও থেমে থাকেননি লতিকা খাতুন। কয়েক দিন পূর্বে লতিকা তাঁর ছোট বাচ্চাগুলো নিয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবিরের নিকট শরানাপন্ন হন। তাঁদের ভেঙে যাওয়া সংসার ফিরে পেতে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন লতিকা। তাঁর এই অভিযোগের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানার পুলিশ অপ্রাণ প্রচেষ্ঠায় লতিকা ও ফজলে আলী তাঁদের ভাঙা সংসার আবারও জোড়া লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পুলিশের উদ্যোগে নব পরিণয়ে জুড়ে গেল ভাঙা সংসার। এদিকে, ভাঙা সংসার জোড়া লাগানোর ঘটনা নতিডাঙ্গায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। এলাকার সচেতন মহল দাবি করে বলেন, এটি নিঃসন্দেহে থানা পুলিশের মহৎ উদ্যেগ। ভাঙা সংসার জোড়া লাগিয়ে আবারও পুলিশ মানুষের বন্ধু, এটা তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে আলমডাঙ্গা থানার পুলিশ। থানার পুলিশ এই ধরণের মহৎ কাজ চলমান রাখুক, এটাই তাঁদের দাবি। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির জানান, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনার মাধ্যমে উভয়ে মতামতের ভিত্তিতে লতিকা ও ফজলে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আবারও সংসার করতে রাজি হয়ে তাঁরা নতুন করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।


কমেন্ট বক্স
notebook

কার্পাসডাঙ্গায় কাচামাল ব্যবসায়ীর ছু*রিকাঘা*তে ফল ব্যবসায়ী মধু নি*হ*ত