এ গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজে পরিণত করা সবার দায়িত্ব
- আপলোড তারিখঃ
১৯-০৬-২০২০
ইং
পাটাচোরা গ্রামের পাঠাগার ও পার্ক পরিদর্শনে ইউএনও দিলারা রহমান
প্রতিবেদক, দামুড়হুদা:
দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামের গোলাম রহমান পাঠাগার ও মিনি ইকো পার্ক পরিদর্শন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি পরিদর্শনে এসে গ্রামের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার সদর ইউনিয়নের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে ছোট্ট একটি গ্রাম পাঠাচোরা। সরকারের নির্দেশে গ্রামকে শহর করতে হবে। এ ধারাবাহিকতায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজি আলী আজগার টগর ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু পাঠাচোরা গ্রামকে শহরে পরিণত করার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পাঠাচোরা গ্রামের পাকা রাস্তা, হাইস্কুল, গোলাম রহমান পাঠাগার এবং ভৈরব ও মাথাভাঙ্গা নদীর তৃমহনি স্থানে মিনি ইকো পার্ক তৈরি করেন। যা গ্রামের চিত্র এখন পাল্টে দিয়েছে। সেই চিত্র দেখতে এবং গ্রামের মানুষের খোঁজখবর নিতে ছুটে যান দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান। তিনি গ্রাম পরিদর্শনের সময় গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে করোনা সম্পর্কে সচেতন ও মাস্ক বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আব্দুল ওদুদ শাহ কলেজের প্রভাষক শরিফুল আলম মিল্টন, আব্দুল ওদুদ শাহ কলেজের প্রিন্সিপ্যাল কামাল উদ্দীন, পাঠাচোরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোশারেফ হোসেন, পাঠাচোরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলী, পাঠাচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজা, সহকারী শিক্ষক তানভির আহাম্মেদ খোকন প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান বলেন, ‘এই সরল মানুষগুলোর কাছে গিয়ে মনে হলো পৃথিবী কত সুন্দর। গ্রামবাসীর চোখে রয়েছে অনেক স্বপ্ন আর প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি। সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেছে গোলাম রহমান পাঠাগার এবং পাটাচোরা মিনি ইকো পার্ক। গ্রামবাসীর স্বপ্নের সঙ্গে একাত্ম হয়ে প্রকৃত অর্থে এই গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজ হিসেবে গড়া তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। পাটাচোরা গ্রামের মতো পিছিয়ে পড়া গ্রামগুলো যদি সবার প্রচেষ্টায় এগিয়ে যায়, তবেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।’
কমেন্ট বক্স