দর্শনা অফিস:
করোনা সংকটে ওয়েভ ফাউন্ডেশন অসহায় জনগোষ্ঠীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে করোনা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ, বিভিন্ন ধরণের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা-সামগ্রী বিতরণ, খাদ্য-সহায়তা প্রদানসহ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া কর্মীদের বিশেষ ওরিয়েন্টশন প্রদান, সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের/সদস্যদের কারো করোনা সংক্রমণ দেখা দিলে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র/হাসপাতাল বা আইইডিসিআর-এর হটলাইনে যোগাযোগে উদ্বুদ্ধকরণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনতামূলক তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধ এবং এর ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় ওয়েভ ফাউন্ডেশন তিনটি পর্বে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্য তেল, চিড়া, ডাল ও বিস্কুট ২ হাজার ২৯০ পরিবার ১০,৩০৮,১০,৬৫০/- ৬১৮০টি মাস্ক, ৭১৬০টি সাবান, ৫৪৫০০ লিফলেট, পোস্টার ৯৮৬০টি সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম (বিলবোর্ড, ফেস্টুন, মাইকিং) ঢাকা মহানগর ও কর্ম এলাকার ১৭টি জেলায় ১০,৮৬,৭০৫ জন উপকারভোগী প্রত্যক্ষভাবে ও ৪৮,৭০৫ জন এবং পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছে। এছাড়া খাদ্য-সহায়তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

এ অর্থ সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মীদের ১ দিনের বেতন ৫ লাখ ৫৮ হাজার ১০৫ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল হতে ব্যয় করা হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে গত ২১ এপ্রিল-২০২০ তারিখে হস্তান্তর বিগত ১৫ লাখ ৭০হাজার ১৯৫ সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ও সংস্থার মাধ্যমে আর্থিক অনুদান সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ৩০ এপ্রিল পিকেএসএফ-এর সংস্থার প্রধান কার্যালয় হতে ৫০ হাজার টাকার চেক সমাজসেবা ঢাকা অফিসে সংস্থার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। এমনকি বাস্তবায়িত এসইআইপি প্রকল্পের চলমান ১৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ১৪৮ জনের ব্যক্তিগত হিসাবে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে অনুদান প্রদান আর্থিক অনুদান সহায়তা দেয় হয়। সব মিলিয়ে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২৯ লাখ ১৮ হাজর ৩ শ টাকা ব্যয় করেছে। এছাড়া ওয়েভ ফাউন্ডেশনের কর্ম এলাকায় খাদ্য-উপহার অব্যহত রয়েছে বলে উপ-নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান।