নিয়ম মেনে চুয়াডাঙ্গার মসজিদগুলোতে জুমা আদায়
- আপলোড তারিখঃ
১০-০৪-২০২০
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি নির্দেশনা মেনেই চুয়াডাঙ্গার মসজিদগুলোতে অনধিক ১০ জন মুসল্লি নিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা হয়েছে। ফরজ নামাজ আদায়ের পরপরই মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নামাজ শেষে আল্লাহর দরবারে করোনা থেকে সবাইকে সুরক্ষিত রাখার দোয়া করেছেন মুসল্লিরা।
চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক মসজিদগুলোতে ১০ জনের বেশি মুসল্লি ঢুকতে দেওয়া হয়নি। জুমার খুতবার সময় মুসল্লিরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই মসজিদের ভেতরে বসেছিলেন। পরে তাঁরা জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বকে করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে মুক্ত রাখার ফরিয়াদ করেন তাঁরা।
চুয়াডাঙ্গা কোর্ট মসজিদের ইমাম মুফতি রুহুল আমিন জানান, মসজিদে ১০ জনের বেশি ব্যক্তি একত্রিত না হয়ে জুমার নামাজ আদায়ের সরকারি নির্দেশনার চিঠি তাঁরা আগেই পেয়েছিলেন। শুক্রবার জুমার নামাজের জন্য ১০ জন ব্যক্তি যখন মসজিদে চলে আসেন, তখন গেট লাগিয়ে দেওয়া হয়। পরে মোয়াজ্জিনসহ তাঁরা মোট ১০ জন নামাজ আদায় করেন। তিনি বলেন, ‘আমি ও মোয়াজ্জিনের পর যে আটজন আগে এসেছেন, তারাই মসজিদে নামাজ আদায় করতে পেরেছেন। পরে কেউ এলে তাঁকে বাড়িতেই নামাজ আদায় করতে বলা হয়েছে। আমার সারা জীবনে এ ধরনের পরিস্থিতি কখনও দেখিনি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের ক্ষমা করে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখেন, সে জন্য নামাজ শেষে দোয়া করেছি।’
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া রোধে গত সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত জামাতে ইমামসহ পাঁচজনের বেশি অংশ না নেওয়ার কথা জানানো হয়। আর জুমার নামাজের ক্ষেত্রে ১০ জনের বেশি জামাত করা যাবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রায় সব মসজিদেই এ নির্দেশনা মানা হচ্ছে। তবে কিছু কিছু মসজিদে অধিকসংখ্যক মুসল্লি নির্দেশনা না মেনে তড়িঘড়ি নামাজ আদায় করছেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে।
কমেন্ট বক্স