শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু, অনিয়মের অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ১০-০৪-২০২০ ইং
জীবননগরে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু, অনিয়মের অভিযোগ
জীবননগর অফিস: জীবননগরে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এ কর্মসূচির প্রথম দিনেই নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেচে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতি পরিবার থেকে একজন সদস্যকে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি জমা দিয়ে পাঁচ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির কাছে চাল বিক্রি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এ চাল বিক্রি কার্যক্রমের বিষয়টি মাইকিং করে সবাইকে জানানোর কথা থাকলেও তা করা হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় জীবননগর উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর পৌর এলাকায় ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে এ চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়। জীবননগর উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক কাউসার আহম্মেদ পৌর এলাকার বাসস্ট্রান্ডে ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তবে সেখানে দরিদ্রদের চেয়ে ধনীদের আনাগোনা বেশি ছিল। এমনকি পৌরসভা থেকে দেওয়া চালের লিস্ট অনুযায়ী চাল বিক্রির অভিযোগ ওঠে। ফলে অসহায়, দিনমজুর, দরিদ্ররা চাল কিনতে যেয়ে পৌরসভার লিস্টে নাম না থাকায় চাল না পেয়ে ফিরে যান। এ বিষয়ে জীবননগর ওএমএস ডিলার মিলন বলেন, ‘প্রথম দিনে পৌরসভা থেকে যে লিস্ট দিয়েছিল, সে অনুযায়ী আমরা চাল বিক্রি করেছিলাম। পরবর্তীতে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে আমাদের বলা হয়, উন্মুক্তভাবে চাল বিক্রি করতে হবে। তাই সে অনুযায়ী চাল বিক্রি করছি।’ জীবননগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল খালেক বলেন, জীবননগর পৌরসভায় ৩ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষেরা করোনাভাইরাসের কারণে কাজে বের হতে না পারায় সরকারের পক্ষ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। জীবননগর পৌরসভায় ৩ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সব বয়সের নারী-পুরুষ ভোটের আইডি কার্ড জমা দিয়ে চাল কিনতে পারবেন। এবার পৌরসভায় ৬ শ পরিবার ১০ টাকা কেজি দরের চাল কিনতে পারবে। এ কার্যক্রম আগামী ৩ মাস অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, কোনো লিস্টের মাধ্যমে নয়, একেবারে উন্মক্তভাবে খাদ্য অধিদপ্তরের ডিলারের মাধ্যমে বাজারে চাল বিক্রয় করা হবে। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ১০ টাকা কেজি দরে বাজারে যে চাল বিক্রি করা হচ্ছে, এটা সম্পূর্ণ উন্মুক্তভাবে বিক্রি করা হবে। চাল নিয়ে কোনো চালবাজি চলবে না। সরকার যে নিয়মে বিক্রয় করতে বলবে, সে নিয়মানুসারে বিক্রয় করা হবে। যদি কেউ চালবাজি করতে চায়, তাহলে তদন্তপূর্বক তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কমেন্ট বক্স