দর্শনায় অনির্বাণ থিয়েটারের প্রচারাভিযান
- আপলোড তারিখঃ
০৬-০৪-২০২০
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদন:
মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের ছোবল থেকে রক্ষা পেতে সরকারি আদেশ মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী মানুষকে চলাফেরার আহ্বানে গতকাল চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় হয়ে গেল ব্যতিক্রমী এক প্রচারাভিযান। জেলার প্রথিতযশা সংগঠন অনির্বাণ থিয়েটারের উদ্যোগে এই প্রচারাভিযানের মূল কেন্দ্রস্থল ছিলো শহরতলীর রেলবাজার, পুরাতন বাজার ও প্রধান প্রধান সড়ক। এ সময় তারা বিভিন্ন বার্তা সম্মিলিত ফেস্টুন বহন করে এবং হ্যান্ডমাইকে মানুষকে ঘরের মধ্যে অবস্থান নেওয়া, জরুরী প্রয়োজনে বাইরে এলে মাস্ক ব্যবহার করা, মানুষের সংস্পর্শ থেকে অনন্ত তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখা, ঘনঘন সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোঁয়া, হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করা, বেশী বেশী পানি-ফলমূল খাওয়া, দেশ-বিদেশের থেকে আসা ব্যক্তিদেরকে একটি নির্দিষ্ট কক্ষে ১৪ দিন অবস্থান নেওয়া এবং স্বাস্থ্য-খাদ্য সহায়তা পেতে ১৬২৬৩ ও ৩৩৩ নাম্বারে যোগাযোগ করার আহ্বান জানায়।
জানা যায়, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারি উদ্যোগে দেশজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। বন্ধ রয়েছে সব প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন। তবুও মানুষ চিরাচরিত নিয়মে রাস্তায়-বাজারে-আড্ডায়। ফলে বাড়ছে গণমানুষের সংক্রমিত হওয়া এবং মৃত্যুর ঝুঁকি। এই পেক্ষাপটে অনির্বাণ থিয়েটার কর্মীরা মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে গণমানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করোনা প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি সকল সেবা সংস্থাকে সহায়তার নিমিত্তে পথে নামে। এ দলের সদস্যরা হলেন সাজ্জাদ হোসেন, হাসমত কবির, সায়েমুল হক টিপু, মিরাজ উদ্দীন, মাহাবুবুর রহমান মুকুল, জগন্নাথ কুমার কর্মকার, মেহেদী হাসান ফিরোজ, হাবিবুর রহমান ঈদু, ফরহাদ হোসেন টিটন, ফরহাদ হাসান হৃদয়, কাওসার আহমেদ, মেহেদী হাসান মাসুদ ও রাজা কুমার দাস।
উল্লেখ্য, মহামারী করোনাভাইসাস (কোভিড-১৯) মোকাবেলায় অনির্বাণ থিয়েটারের কর্মীরা প্রথম থেকেই রাজপথে নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এসব কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে দর্শনায় গত ২৫ মার্চ অসচ্ছল ব্যক্তিদের মাঝে ৫০০ টি মাস্ক বিতরণ, ২৯ মার্চ প্রধান প্রধান সড়কে জীবাণুনাশক স্প্রে এবং ৩০ মার্চ ৫৪ টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান।
কমেন্ট বক্স