‘বলসুন্দরী’ ও ‘থাই আপেল’ জাতের কুল চাষে সম্ভাবনার হাতছানি
- আপলোড তারিখঃ
১২-০১-২০২০
ইং
মিঠুন মাহমুদ:
জীবননগরে বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ শুরু করেছেন সাইফুল ইসলাম নামের এ যুবক। ৬ বিঘা জমিতে ‘বলসুন্দরী’ ও ‘থাই আপেল’ জাতের কুল চাষ শুরু করেছেন তিনি।
জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম ৬ বিঘা জমিতে ‘বলসুন্দরী’ ও ‘থাই আপেল’ জাতের কুলের আবাদ করেছেন। তিনি ভারত থেকে বন্ধুর মাধ্যমে আট মাস আগে সাড়ে ৭ শ বলসুন্দরী ও থাই আপেল জাতের কুলের চারা ক্রয় করে নিয়ে আসেন। এরপর নিজের কিছু জমি ও বর্গা নেওয়া জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন। ৮ মাস আগে জমিতে লাগানো বলসুন্দরী ও থাই আপেল কুলগাছে ফল আসতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বাগানের প্রতিটি গাছ কুলের ভারে মাটিতে নুয়ে পড়েছে। গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত প্রতিটি স্থানেই কুল আর কুল। অন্য ফসল চাষের চাইতে কুল চাষে খরচ কম হওয়ায় স্থানীয় চাষিরাও এ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামও ৫ বিঘা জমিতে থাই আপেল জাতের কুল চাষ করছেন বলে জানা গেছে।
কুলচাষি সাইফুল বলেন, ‘এ জাতের কুলের বাজার-চাহিদা অন্য কুলের চাইতে বেশি। আমার প্রতি বিঘা কুল চাষে খরচ হয়েছে ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা। তবে যে হারে কুল ধরেছে, আশা করি বিঘাপ্রতি দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা থাকবে। প্রতি কেজি কুল ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে । এ কুল খেতে সুস্বাদু, রসালো ও মিষ্টি। কুলের আকার অন্য জাতের কুলের চাইতে বড়। কুলের রং লাল ও হলুদ।’
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, প্রথমবারের মতো জীবননগরে বাণিজ্যিকভাবে বলসুন্দরী ও থাই আপেল জাতের কুল চাষ শুরু করেছেন কৃষকেরা। কুল চাষ সহজ ও লাভজনক। নতুন জাতের কুল চাষের জন্য কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কমেন্ট বক্স