৪ শ মিটার গভীর থেকে উঠে আসবে সুপেয় পানি
- আপলোড তারিখঃ
০৪-০৯-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গার বেলগাছিতে অত্যাধুনিক নলকূপ স্থাপনকাজের উদ্বোধন
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গার বেলগাছির ঈদগাহ পাড়ায় ৪ শ মিটার গভীরতার একটি অত্যাধুনিক নলকূপ স্থাপনকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটায় স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে এ কাজের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু।
এ সময় পৌর মেয়র বলেন, সুপেয় পানির সমস্যা সমাধানে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অত্যাধুনিক ও অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এ উৎপাদক নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করা হলো। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চুয়াডাঙ্গা পৌরবাসী তথা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেলগাছি এলাকার মানুষের পানি সমস্যা অনেকাংশে লাঘব হবে। মেয়র তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আরও বলেন, ‘আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়নকাজ শুরু করেছি। আপনারা ইতিমধ্যে দেখতে পাচ্ছেন, আপনাদের এলাকাতেই প্রায় কয়েক কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং এখনো চলমান আছে। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আগামীতে আরও উন্নয়নকাজ করা সম্ভব হবে। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাকে একটি আধুনিক মডেল পৌরসভাতে রূপান্তরিত করব, ইনশা আল্লাহ।’ বক্তব্য শেষে তিনি খনন মেশিনের লিভার টেনে গভীর খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুন্সি রেজাউল করিম খোকন, কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মনি, কাউন্সিলর শেফালি খাতুন, সহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান কাওছার, সহকারী প্রকৌশলী (পানি) এ এইচ এম সাহীদুর রশীদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মেকানিক্যাল ডিভিশনের উপসহকারী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম, মাস্টার ডিলার বাদশা মিয়া, সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার মেসার্স বোরিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশনের মালিক প্রকৌশলী জামিল আহমেদ, সহকারী মাস্টার ডিলার আব্দুল জলিল, বেলগাছি এলাকার শিক্ষক রাশিদুল ইসলাম, শামীম রেজা, হামেদুর রহমান, কাজী রফিকুল হক, মতিয়ার রহমান, ইদ্রিস আলী, সাইফুল জোয়ার্দ্দার, মনোয়ার হোসেন, আরিফ বিল্লাহ, মাওলানা মো. রেজাউল করিম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জানিফসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে জাপানি দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গভীর নলকূপটির স্থাপনকাজ সম্পন্ন হলে বেলগাছি এলাকায় সুপেয় পানির সরবরাহ করা সম্ভব হবে এবং জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি ও আর্থসামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের মধ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে শিক্ষক রাসিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা পৌর এলাকার ভেতরে বসবাস করলেও এত দিন আমাদের এলাকায় কোনো ড্রেন ছিল না, রাস্তার সমস্যা ছিল। বর্তমান মেয়রের প্রচেষ্টায় ড্রেন হচ্ছে, রাস্তা হচ্ছে, এখন পানির পাম্প স্থাপন করা হলো। এ জন্য আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মেয়রকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
কমেন্ট বক্স