মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-০৯-২০১৯ ইং
জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির
লোকবল-সংকটে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন রোকনুজ্জামান রোকন: লোকবল-সংকটের কারণে ঝিমিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন জীবননগর ও দামুড়হুদা শাখার ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের গভীর নলকূপের কার্যক্রম। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (ক্ষুদ্র সেচ) ইউনিট জীবননগরের কার্যালয়টি দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত। এ কার্যালয়ে একজন উপসহকারী প্রকৌশলী, দুজন মেকানিক ও একজন পিয়ন নিয়োগ থাকলেও এখানে দীর্ঘদিন যাবৎ ইউনিটটির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন মেকানিক আজিজুর রহমান ও উপসহকারী প্রকৌশলী শাহজালাল আবেদিন। এর মধ্যে উপসহকারী প্রকৌশলী চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে প্রতি সপ্তাহে দুই দিন অফিস করেন। দামুড়হুদায় অবস্থিত ইউনিটে একমাত্র মেকানিক আজিজুর রহমান নিয়মিত অফিস চালিয়ে গেলেও গত জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। এরপর থেকে ইউনিটটি শুধু রোববার ও বৃহস্পতিবার দুই দিন খোলা রাখা হয়। ফলে জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (ক্ষুদ্র সেচ) এ ইউনিটটির আওতায় দামুড়হুদা উপজেলায় ১৩টি ও জীবননগর উপজেলায় ১১টি মোট ২৪টি সমিতির বৈদ্যুতিক গভীর নলকূপ রয়েছে। ইউনিটটিতে চারটি পদ থাকলেও বর্তমানে শুধুমাত্র একজন উপসহকারী প্রকৌশলীকে পালন করতে হচ্ছে সব দায়িত্ব। এ ছাড়াও জীবননগর উপজেলায় কোনো ইউনিট না থাকায় ২০ কিলোমিটার দূরে দামুড়হুদায় এসে ক্ষুদ্র সেচ গভীর নলকূপের প্রি-পেইড বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়। জীবননগর উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সমিতির ম্যানেজার কামরুজ্জামান ও ই¯্রাফিল হোসেন বলেন, ‘জীবননগর ইউনিটটি দামুড়হুদায় হওয়ায় আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। আমাদের সমিতির নলকূপের মিটারের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ, কার্ড রিচার্জসহ সমিতির যাবতীয় কাজ করতে জীবননগর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দামুড়হুদায় যেতে হয়। এতে আমাদের যেমন সময় ব্যয় হয়, তেমনি বাড়তি অর্থ খরচ হয়।’ উপসহকারী প্রকৌশলী শাহজালাল আবেদিন জানান, ইউনিটটিতে চারটি পদ থাকলেও দীর্ঘদিন দুটি পদ শূন্য থাকায় এত দিন যাবৎ তিনি ও মেকানিক আজিজুর রহমান মিলে ইউনিটটি চালিয়ে আসলেও আজিজুর রহমান মারা যাওয়ার কারণে সব দায়িত্ব এখন তাঁর একা পালন করতে হচ্ছে। তা ছাড়া তিনি চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার কারণে এ ইউনিটে সপ্তাহে দুই দিন জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলার গভীর নলকূপের প্রি-পেইড মিটারের বিদ্যুতের বিল নেওয়া ও কার্ড রিচার্জ করা হচ্ছে। তবে অচিরেই লোকবল বাড়বে বলে তিনি জানান।


কমেন্ট বক্স
notebook

মেহেরপুরে গুড নেইবারস বাংলাদেশের উদ্যোগে শিশু অধিকার বিষয়ক প্রচারাভিযান