সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পরকীয়ায় সর্বস্ব হারালেন সৈয়দা!

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০৪-২০১৯ ইং
পরকীয়ায় সর্বস্ব হারালেন সৈয়দা!
নিজস্ব প্রতিবেদক: আলমডাঙ্গায় পরকীয়া প্রেমের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারালেন সৈয়দা। পরকীয়া প্রেমিকের সাথে নিজের মেয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী খুশির বিয়ে। টানা ৮ বছর অনৈতিক সম্পর্কের গোপন রহস্য রক্ষার্থে স্বামীকে বিদেশ পাঠানোর নাটক সাজায় খোকনের স্ত্রী সৈয়দা খাতুন। প্রেমিকের নামে স্বামীর বসত বাড়ির জমি লিখে নিঃস্ব করে দিয়েছে সৈয়দা খাতুন। প্রেমিকের সাথে স্কুলছাত্রী খুশির বিবাহ দিলেও এখন আর সংসার করতে চাই না লিটন। বাল্যবিবাহ করায় কাবিননামা না দেখাতে পেরে, ভুয়া কাগজে বিবাহে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মত অপরাধ করলেও প্রশাসন ও মানবাধিকার কর্মীরা মুখ লুটিয়ে আছে। একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলেও নেই কোন প্রশাসনিক তদারকি। স্কুলছাত্রীর পিতা খোকন বাদি হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করলেও পাচ্ছে না সুষ্টু বিচার, পালিয়ে বেড়াচ্ছে লিটন। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হলে গতকাল শুক্রবার স্থানীয়ভাবে বসে নাবালিকা মেয়ে খুশির শৈশব জীবনের মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় মিমাংশ হয়। অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই ঘটনার নেপথ্য রহস্য, আলমডাঙ্গার আঠারোখাদা গ্রামের দিনমজুর খোকনের স্ত্রীর সাথে একই গ্রামের প্রভাবশালী ইন্তাফের ছেলে লিটন দীর্ঘ ৮ বছর অনৈতিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছে। এই সম্পর্কের ঘটনা খোকন নিজে ও এলাকাবাসীরাও জানে। খোকনের অনুপস্থিতে লিটন বিভিন্ন সময় খোকনের স্ত্রী সৈয়দার সাথে অনৈতিক সম্পর্কে মিলিত হয়। গত এক বছর পূর্বে লিটন ও সৈয়দা তাদের সম্পর্কটা অটুট করতে তৈরি করে নতুন ফাঁদ। সৈয়দা তার স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য তৎপর হয়ে ওঠে। ইতোমধ্যে লিটনের মাধ্যমে বিদেশ পাঠানোর জন্য ৪ লাখ টাকায় চুক্তি করে সে। আত্মীয়দের নিকট থেকে নগদ ২ লাখ টাকা সংগ্রহ করলেও আরো ২ লাখ টাকা বাকি থাকায় লিটনের নামে তারা বসতবাড়ির জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয় ২ লাখ টাকার বিনিময়ে। এরই মধ্যে বিদেশে যাওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি শেষ হলে জাল ভিসা প্রমাণিত হওয়ায় বিদেশ যাওয়া বন্ধ হয়ে যায় খোকনের। দুধে ১ ফোটা চোনা পড়ার মত ঘটনা ঘটে খোকনের সাথে। নগদ ২ লাখ টাকা ও নিজের বসতবাড়ির জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে খোকন। জমি ও টাকা ফেরৎ দেওয়ার মর্মে ইন্তাফের ছেলে লিটন খোকনের ১৩ বছরের নাবালিকা মেয়েকে তার সাথে বিবাহ দেওয়ার কথা বললে, তারা জমি ফিরে পাবে এই আশায় নাবালিকা মেয়েকে লিটনের মত (৪০) বছরের ছেলের সাথে বিয়ে দিতে রাজি হয়। বিয়ের কয়েক মাস পরে লিটন নাবালিকা মেয়ের সাথে আর সংসার করতে চায় না। নাবালিকা খুশি মনিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে লিটন। খোকন ও তার স্ত্রী সৈয়দা খাতুন নগদ টাকা, বসত বাড়ির জমি, নাবালিকা মেয়ের জীবন ও তার সাথে অবৈধ সম্পর্কের বাধন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সৈয়দা চিন্তিত হয়ে পড়ে। খোকন ও তার স্ত্রী সৈয়দা আলমডাঙ্গা থানায় উপস্থিত হয়ে লিটনে বিরুদ্ধে লিখিত প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় একাধিকবার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশিত হলেও প্রশাসনিক কোন তদারকি না পেয়ে আরো দু’শ্চিন্তায় পড়েছে খোকন ও তার স্ত্রী সৈয়দা খাতুন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসে লিটন ও তার পরিবার। গতকাল শুক্রবার আলমডাঙ্গা থানায় উপস্থিত হয়ে নাবালিকা মেয়েকে না নেওয়ার শর্তে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় মিমাংশ করে। এই ঘটনায় আঠারোখাদা গ্রামজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। ১৩ বছরের মেয়েকে বিবাহের নামে ধর্ষণ করলেও কেনো প্রশাসনের আড়াল থেকে ছাড়া পেয়ে যায় লিটন। বাল্যবিবাহ অপরাধ হলে আইনের বেড়াজালে শাস্তি না পেয়ে কেনো মুক্তি পেলো লিটন? কিন্তু নাবালিকা স্কুলছাত্রী খুশির বয়স (১৩) বছর আর লিটনের বয়স (৪০) বছর হলেও কেনো তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এলাকাবাসীর দাবি,‘ মিথ্যা বিয়ের নামে নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করা হলেও কেনো প্রশাসন প্রকাশ্যে মিমাংশ করেছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নতুন ওসি মনিরুজ্জামানের যোগদান