সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

২০৪১ সালের মধ্যে মাথা উচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ

  • আপলোড তারিখঃ ০৯-০৪-২০১৯ ইং
২০৪১ সালের মধ্যে মাথা উচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ
দামুড়হুদার হাউলী ইউনিয়নে পুষ্টিচাল বিতরণকালে জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস প্রতিবেদক, দামুড়হুদা: ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে দামুড়হুদার হাউলী ইউনিয়নে ভিজিডির কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের ৩৭৪ জন হতদরিদ্রদের মাঝে পুষ্টি চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। তিনি বাংলাদশকে একটি সুখি সম্মৃদ্ধ উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গঠে তুলতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তারই নিরলস প্রচেষ্টায় এদেশ বর্তমানে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে এদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াবে। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্রদের জন্য বিধবাভাতা, বয়স্কভাতা, বিজিএফ, ভিজিডিসহ নানাবিধ ভাতা চালু করেছেন। আপনারা দু’চারটি করে বাড়িতে ছাগল পালন করতে পারেন। কারণ, চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রধান ব্রান্ড হচ্ছে ব্লাক বেঙ্গল গোট। এই ব্লাক বেঙ্গল গোটের মাংস বিশ্ব বাজারে রফতানী করতে পারলে চুয়াডাঙ্গার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তণ ঘটানো সম্ভব। চুয়াডাঙ্গায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি হিমাগার সময়ের দাবি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, একটা সময় চুয়াডাঙ্গা ছিল রক্তাক্ত জনপদ। সকাল হলেই মানুষ পত্রিকায় দেখতো আজ কয়টি উইকেট পড়েছে। কিন্ত বর্তমানে সেই অবস্থা আর নেই। এর মূল কারণ হলো উন্নয়ন। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। শিক্ষার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে পুলিশের সক্ষমতাও। ফলে এখন কেউ ইচ্ছা করলেই সন্ত্রাসি কর্মকান্ড করে পার পাবেনা। দামুড়হুদা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় এখানে মাদকের ভয়াবহতা রয়েছে। তারপরও বলবো এটি একটি সম্ভবনাময় উপজেলা। এখানে অনেক রিসোর্স রয়েছে। যা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে এ উপজেলাকে জেলার মধ্যে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করার পর মাদকের বিকিকিনি অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। তাই আর কোন উইকেট পড়ার খবর নয়। এখন থেকে শুধুমাত্র উন্নয়নের স্বপ্ন দেখতে হবে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসান, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল, দামুড়হুদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হোসনে জাহান ববি, হাউলী ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নিজাম উদ্দীন প্রমূখ।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নতুন ওসি মনিরুজ্জামানের যোগদান