গম চাষে সফলতা গবেষকদের
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৩-২০১৯
ইং
মেহেরপুরে গমের ব্লাস্ট প্রতিরোধে বারী-৩৩ জাতের
মেহেরপুর অফিস:
মেহেরপুরে গমের ব্লাস্ট প্রতিরোধে চলছে বিভিন্ন গবেষনা। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন উদ্ভাবিত বারী-৩৩ জাতের গম চাষে সফলতা পেয়েছে গবেষকরা। এই জাতের গম যেমন ব্লাস্ট প্রতিরোধক তেমনই জিংক সমৃদ্ধ। এই গম আবাদ করলে আর ব্লাস্ট হবেনা বলে মনে করছে গবেষকরা। মেহেরপুর জেলায় বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে গমের ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে গবেষনা করছে গবেষকরা। এরই অংশ হিসেবে সদর উপজেলার দিঘীরপাড়া মাঠে ১০ কাঠা জমির উপর সিমিটের সহায়তায় বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষনা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বারী-৩৩ জাতের গম আবাদ করা হয়। আর এই আবাদকৃত গমের মাঠ পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষনা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নরেশ চন্দ্র দেব বর্মন, ঢাকা খামারবাড়ির মনিটরিং ও বাস্তবায়ন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক, যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক নীর্মল কুমার দে প্রমুখ।
মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে, এই গমের শীষগুলো বড় এবং দানা সমৃদ্ধ। সংশ্লিষ্ট চাষী জানান, এই গমে রোগ বালাই কম। অন্যান্য গমে ব্লাস্ট লাগলেও এই গমে লাগেনি। বিঘা প্রতি ১৮-২০ মন ফলনের আশা করছে চাষী। এই গমের জমি দেখে এলাকার চাষীদের মধ্যে আবারও গম চাষের আগ্রহ বেড়েছে। মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. আক্তারুজ্জামান জানান, মেহেরপুর জেলায় গমের ব্লাস্ট রোগ লাগায় গম আবাদের আগ্রহ হারিয়েছিল চাষী। আগামীতে এই জাতের গমের বীজ পেলে চাষীরা আবারও গমের আবাদে ফিরে আসবে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষনা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নরেশ চন্দ্র দেব বর্মন জানান, বারী-৩৩ জাতের গম যেমন ব্লাস্ট প্রতিরোধক তেমনই জিংক সমৃদ্ধ। এই গম চাষ করলে চাষীদের খরচের পাশাপাশি ফলনও ভাল পাবে।
কমেন্ট বক্স