সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

নব্যতা হারিয়েছে ভৈরব নদী! আবাদি জমিতে পরিণত

  • আপলোড তারিখঃ ১২-০৩-২০১৯ ইং
নব্যতা হারিয়েছে ভৈরব নদী! আবাদি জমিতে পরিণত
রোকনুজ্জামান রোকন: দামুড়হুদা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদী নব্যতা হারিয়ে এখন আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। এক সময়ের খরস্রোতা ভৈরব নদী ভরাট হয়ে পানি শুকিয়ে যাওয়ায়, নদীর দুই কূলজুড়ে হয়েছে ধানসহ বিভিন্ন আবাদ। দামুড়হুদা উপজেলার সুবোলপুর থেকে দুলালনগর পর্যন্ত ৫৮ কিলোমিটার ভৈরব নদী রয়েছে। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ ও নদী রক্ষা করতে নদীটি পুনর্খনন প্রয়োজন। দামুড়হুদার সুবোলপুর, পাটাচোরা, বাঘাডাঙ্গা, কাঞ্চনতলা, কার্পাসডাঙ্গা, কানাইডাঙ্গা, ছাতিয়ানতলা, মোক্তারপুর, হাতিভাঙ্গা, কুনিয়াচাঁদপুর, চাঁদপুর, হেমায়েতপুর, নতিপোতা, কালিয়াবকরী, বেড়বাড়ী, চারুলিয়া, দুলালনগর হয়ে মেহেরপুর জেলায় প্রবেশ করেছে। নদী দখল করে স্থানীয়রা এখন ধান, তামাক, গম ও পিঁয়াজসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছেন। এ ছাড়াও মৌসুম হিসেবে লাল শাক, কফি, পালনশাক, মুলাসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষাবাদ করে থাকে। বর্ষা মৌসুমের শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন মাস পর্যন্ত খর¯্রােতা নদীতে পরিণত থাকলে ও বাকি ৯ মাস নদী শুকিয়ে মরা খালে পরিণত হয়ে থাকে। পানি না থাকায় স্থানীয়রা অবৈধভাবে নদীর দুই পাড়ের জমি দখল করে কর্ষণ করে চাষাবাদ করার কারণে বর্ষা মৌসুমে ধোয়াট এসে পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। পুনর্খনন করে দুই পাড়ের জমি কর্ষণ বন্ধ করলে আবার নব্যতা ফিরে পাবে। সেই সাথে পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। পানির বহুমুখী ব্যবহারসহ দেশীয় মাছের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা সম্ভব হবে। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল হাসান জানান, ভৈরব নদীতে পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে স্থানীয় কৃষকরা সেখানে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করছে। খুব দ্রুত নদী খনন করা হবে। সেই সাথে নদীর দুই পাড় কর্ষণ বন্ধ করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে।


কমেন্ট বক্স