শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জমে উঠেছে সরোজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেঁজুরগুড়ের হাট

  • আপলোড তারিখঃ ১১-১২-২০১৮ ইং
জমে উঠেছে সরোজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেঁজুরগুড়ের হাট
আকিমুল ইসলাম: শীতের শুরুতেই চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জে জমে উঠেছে দেশের সর্ববৃহৎ খেজুর গুড়ের হাট। স্বাদে ও গন্ধে এখানকার গুড় অতুলনীয়। তাই এ গুড় কিনতে মানুষের ভিড় চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী সরোজগঞ্জ খেজুরগুড়ের হাটে। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় খেজুর গুড়ের চাহিদা বেশি থাকায় দাম একটু বেশি বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। শুধু খেজুর গুড় নয়, খেজুর গাছ থেকে সংগ্রহ করা রস দিয়ে তৈরি ঝোলাগুড় ও নলেন পাটালি বেঁচাকেনার জন্য এই হাটের ঐতিহ্য কয়েকশ’ বছরের। প্রতি শুক্র ও সোমবার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই হাট বসে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। সরোজগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ শেখ জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এই হাট থেকে গুড় কিনে থাকেন। এরপর ট্রাকযোগে দেশের বড় বড় মোকামে নিয়ে বিক্রি করেন তারা। তিনি জানান, প্রতি হাটের দিন গড়ে ২৫০/৩০০ টন খেজুর গুড় বিক্রি হয়। যার বিক্রয় মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর শীত মৌসুমে সারাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেজুর গুড়ের আমদানি এবং বেঁচাকেনা হয় এই হাটে। স্বাদে ও গন্ধে এখানকার গুড় খুব সুস্বাদু হওয়ায় দেশের অন্যান্য জেলাতে এই গুড়ের চাহিদা প্রচুর। মৌসুমের প্রায় পুরো সময়জুড়েই হাজারো ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে জমজমাট থাকে এই হাটটি। স্থানীয় পাইকারকারী, মহাজন এবং বিভিন্ন জেলার মোকাম থেকে আসা ব্যাপারীরাও এমনটাই দাবি করেন। গুড়ের হাটে সরেজমিনে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সাজানো খেজুর গুড় ভর্তি মাটির কলস ও ছোট ছোট বেতের তৈরি ঝুড়িতে নলেন পাটালি। মাটির বড় ভাড়গুলো বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০০০ টাকা ও ছোট ভাড়গুলো বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকা হরে। ক্রেতা-বিক্রেতারা তা দাঁড়িয়ে দেখছেন। দরদাম ঠিক হলে ওজন করে ট্রাকে ভর্তি করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ নিজের বাড়ি বা আত্মীয়ের বাড়ি পাঠানোর জন্য চাহিদা অনুযায়ী কিনছেন।


কমেন্ট বক্স