সনাতন ধর্মালম্বীদের ঘরে ঘরে পূজিত হলেন মা লক্ষ্মী
- আপলোড তারিখঃ
২৫-১০-২০১৮
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক: ধন-সম্পদ তথা ঐশ্বর্য ও সম্পদের প্রতীক মা লক্ষ্মীর পূজা সম্পন্ন হয়েছে। সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন পূজা ম-প ও মন্দিরের পাশাপাশি সনাতনধর্মীদের ঘরে ঘরে পূজিত হয়েছেন দেবী লক্ষ্মী। হিন্দু ধর্মালম্বীরা বিশ্বাস করেন দেবী লক্ষী ধরনীতে আসেন ধন সম্পদে পূর্ণবান হয়ে। অন্নপূর্ণার আলতা রাঙা পায়ের চিহ্ন আঁকা হবে ঘরে ঘরে। ধন-সম্পদের আশায় হিন্দু নারী ও পুরুষেরা উপবাস ব্রত পালন করেন। ফুল ফল মিষ্টি নৈবেদ্য দিয়ে আরাধনা করেন লক্ষ্মী মায়ের। দেন পুস্পাঞ্জলী। লক্ষ্মী হিন্দুদের ধনসম্পদ, আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উন্নতি, আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, উর্বরতা, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দয্যের দেবী। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষে প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে সনাতন ধর্মবলম্বীরা ধন সম্পদের দেবী মা লক্ষীর কৃপালাভের লাভের আশায় এ পূজা করেন। শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে ফুল-জল-বিল্বপত্র সহকারে ব্রাক্ষণ পুরোহিত মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে পূজা সম্পন্ন করেন। আবার অনেক গৃহিনী লক্ষীর পাচালী পড়েও পূজা দেন। সমৃদ্ধির দেবী লক্ষীর আরাধনায় মূল পূজারী নারীরা। পূজা অর্চনার পাশাপাশি ঘরবাড়ির আঙিনায় আকা হয় লক্ষীদেবীর পায়ের ছাপসহ বিভিন্ন আলপনাও। সেই সঙ্গে সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে প্রজ্বলিত হয় প্রদীপ। গৃহস্থের সাধ ও সাধ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে মা লক্ষীকে সন্তুষ্ট করার প্রয়াস যেমন থাকে তেমনি বিভিন্ন মন্দির এবং মন্ডপেও আয়োজন করা হয় লক্ষীপূজার। মা আসবেন ধরনীতে ধন সম্পদে পূর্ণবান হয়ে। অন্নপূর্ণার আলতা রাঙা পায়ের চিহ্ন আঁকা হবে ঘরে ঘরে। ধন-সম্পদের আশায় হিন্দু নারী ও পুরুষেরা উপবাস ব্রত পালন করেন। ফুল ফল মিষ্টি নৈবেদ্য দিয়ে আরাধনা করবেন লক্ষ্মী মায়ের। দেন পুস্পাঞ্জলী। মা লক্ষ্মী ধনসম্পদ, আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উন্নতি, আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, উর্বরতা, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দর্য্যরে দেবী। বাংলাদেশে চান্দ্র আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাৎ কোজাগরী পূর্ণিমায় দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতি বৃহস্পতিবার সধবা স্ত্রীগণ লক্ষ্মীর পূজা করে থাকেন।
কমেন্ট বক্স