দারিদ্রতাকে জয় করেই মেডিকেলে চান্স পেল অদম্য সুমি
- আপলোড তারিখঃ
০৮-১০-২০১৮
ইং
রোকনুজ্জামান রোকন: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার অদম্য মেধাবী সাম্মি আক্তার সুমি। আর্থিক অসচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও পিতা-মাতা এবং এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে এই মেধাবী শিক্ষার্থী। অভাব অনটনে থেকেও কখনো লেখাপড়ায় পিছুপা হয়নি সে। সাম্মি আক্তার সুমি ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রকাশিত ফলাফলে ৭৭.৫০ পেয়ে জাতীয় মেধা তালিকায় ৩৯৫তম স্থান অর্জন করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে।
জানা যায়, সুমি দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের শান্তিপাড়ার শহিদুল ইসলাম ও লিপি বেগম দম্পতির মেয়ে। সুমির পিতা পেশায় একজন মোজায়েক মিস্ত্রী এবং মা গৃহিনী। সুমি চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ২০১৫ সালে গোল্ডেন এ+ ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে ২০১৭ সালে গোল্ডেন এ+ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। সে পিএসসি এবং জেএসসি পরিক্ষায় বৃত্তি লাভ করে পড়াশোনা করে।
সাম্মি আক্তার সুমি তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, এবার এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেয়ে আমি অনেক গর্বিত। কিন্তু আমার পিতা দরিদ্র হওয়ার কারণে আমি খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করেছি। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন ভালভাবে মেডিকেলে লেখাপড়া করে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারি। এসময় সুমি বলে তার এই সাফল্যের পিছনে তার বাবা-মার অবদান অনস্বীকার্য। তার পিতা মাতা দারিদ্রতার মধ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করে তাকে পড়িয়েছেন এবং সর্বদা অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। আমি সকলের দোয়া চাই; আল্লাহ তায়ালা যেনো আমাকে একজন যোগ্য ডাক্তার হওয়ার ক্ষমতা দান করেন।
আলাপকালে সুমির বাবা ও মা জানান, টানাপোড়ার সংসারে আমার মেয়ে মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় আমি খুব আনন্দিত। তবে এখন সুমির ভর্তি এবং মেডিকেল সরঞ্জামাদি কিনতে দুশ্চিন্তায় আছি।
সংশোধনী
গত ৭ অক্টোবর রোববারের পত্রিকায় শেষের পাতার ১ ও ২নং কলামে চুয়াডাঙ্গা নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে ভুলক্রমে সভাপতি পদে আসলাম উদ্দীনের নাম প্রকাশিত হয়েছে। এখানে সভাপতি পদে মো. মর্তুজার নাম পড়তে হবে। মুদ্রণজনিত এই ত্রুটির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
-কর্মধ্যক্ষ
কমেন্ট বক্স