জীবননগর মোক্তারপুরে নির্বাচনী কর্মি সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী নজরুল মল্লিক
- আপলোড তারিখঃ
২৪-০৯-২০১৮
ইং
আমার রাজনীতি কিছু পাওয়ার জন্য নয় জনসেবার জন্য
জীবননগর অফিস: আমি সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে খুব অল্প বয়সেই অনেক কিছু পেয়েছি। আমার আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। আমার রাজনীতি কিছু পাওয়ার জন্য নয়, আমি মানুষের সেবা আর এলাকার উন্নয়নের জন্যই রাজনীতি করছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দলীয় নেতাকর্মিকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। আমি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে যেখানে যাচ্ছি সেখানেই নেতাকর্মিদের মধ্যে এক ধরণের কষ্ট, বেদনা আর নির্যাতনের হাহাকার শুনছি। এসব নির্যাতিত নেতাকর্মি আমাকে পেয়ে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছেন। আমি সেই সব নেতাকর্মিদের পাশে থেকে তাদেরকে আবারও দলীয়ভাবে চাঙ্গা করে তুলেছি। যারা এমপি হয়ে লুটপাট করে খেয়েছে, সরকারী খাল-বিল, হাট-ঘাট দখল করেছে, আজ দল যাদের কারণে প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে, আমি তাদের কাতারে নই। আমি সাধারণ জনতার কাতারে থেকে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। বিএনপি-জামায়াত বেশ আস্ফালন করছে। আমি তাদেরকে সতর্ক করে দিতে চাই শেখ হাসিনা বিগত সাড়ে নয় বছরে দেশে যে উন্নয়ন করেছে তা বিশ্ব দরবারে রেকর্ড। তাই মানুষ আর ভুল করবে না। এলাকার উন্নয়ন আর শান্তিতে থাকার জন্য তারা আবার নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বানাবেন। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার বেকার সমস্যা সমাধান করতে কর্মসংস্থানের জন্য একটি কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে তুলব। আর গরীব-দুখী মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠান করতে চাই।
গতকাল রবিবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-২ নির্বাচনী এলাকার জীবননগর উপজেলার মোক্তারপুর কুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে কর্মি সমাবেশে এসব কথা বলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল মল্লিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান বলেন- মোক্তারপুর-কুলতলা এলাকায় গুটি কয়েক কথিত আওয়ামী লীগ নেতার কারণে শেখ হাসিনা ও দলের বদনাম হচ্ছে। তাদের কারণে এলাকায় উন্নয়ন কর্মকা- বাধাগ্রস্থ হয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে ব্যাপক উন্নয়ন হলেও ওই সব নেতাদের কারণে তা আলোচনা চেয়ে সমালোচনায় বেশী হয়েছে। আওয়ামী লীগের কথিত নেতা মোক্তারপুরের হাবিবুর মাষ্টার এলাকার এক ব্যক্তিকে প্রাইমারী স্কুলে নৈশ প্রহরী কাম দপ্তর পদে চাকুরি দেয়ার নামে তার নিকট ১১০ শতক জমি লিখে নিয়েছেন। নির্বাচনের আগেই জমি ফিরিয়ে দিতে হবে, তা না হলে আওয়ামী লীগ করেও রক্ষা পাওয়া যাবে না। এই সব হাবিবুর মার্কা নেতাদের জন্য আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা দেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এত উন্নয়ন আর ভাল কাজ করেও বিরোধীরা বদনাম করার সাহস পাচ্ছে। আওয়ামী লীগ থেকে এসব নেতাদের বিতাড়িত করতে হবে, তা না হলে আওয়ামী লীগের বদনাম আরো বেড়ে যাবে।
মোক্তাপুরের আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান মাস্টার, আব্দুল খালেক মাস্টার, মীর মকলেচুর রহমান টজো, আলমগীর হোসেন, আমিনুর রহমান, কাজী সামসুর রহমান।
কমেন্ট বক্স