শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলমডাঙ্গা পৌর কাউন্সিলর সামসাদ রানুর সাংবাদিক সম্মেলন

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-০৯-২০১৮ ইং
আলমডাঙ্গা পৌর কাউন্সিলর সামসাদ রানুর সাংবাদিক সম্মেলন
আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা পৌরসভার মহিলা সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র সামসাদ রানু আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে সামসাদ রানু জানান- আমার স্বামী জাইদুল হায়দার আমাকে জোরপূর্বক বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের কারণে আমার উপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করে আসছে। তার সাথে তার মেঝো ভাই জগলুল হায়দার ও জামিল হায়দার জড়িত থেকে অত্যাচার নির্যাতন করতো। তাদের অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমার পিতার ভিটা বাড়ি, মাটান সম্পত্তি বিক্রয় করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে লাগলো। এরা ছদ্মবেশি ভদ্রলোক। অত্যান্ত অর্থলোভী, যৌতুক লোভী ও নির্যাতনকারী। এদের অত্যাচারে গত ২০০০ সালে আমার পিতা হার্টএ্যাটাকে মারা যায়। আমার শ্বশুরবাড়ি হলুদপট্টিতে। এদের অত্যাচার ঠ্যাকাতে গিয়ে আমার নিরীহ শ্বশুর এদের হাতে বহুবার মার খেয়েছে। আমি এদের এতো অত্যাচার সহ্য করেও কোনো বেলা ভাত, কখনো ভাতের মাড়, কখনো দুটি রুটি খেয়ে দিনাতিপাত করেছি। ক্ষুধার জ্বালায় ঘুম হয়নি। ঘর ছিলোনা, স্বামীকে নিয়ে খোলা আকাশের তলায় রাত কাটিয়েছি। আমার শ্বশুর অত্যান্ত পরহেজগার ব্যক্তি। উনার সম্মানে আমি বোরখা ব্যবহার করে থাকতাম। নামাজ কালাম এবং নিয়মিত কোরআন শরীফ পড়েছি এবং খতম করেছি। কিন্তু এরা আমার উপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের ফলে শেষে রাজপথে বের হতে বাধ্য হয়েছি। সংসারের জন্য হাঁস মুরগী ও ছাগল পোষা ব্যতীত নকশী কাঁথার অফিস করলাম। এভাবেই টাকা রোজগার করে সংসার চালিয়েছি। তখনো জাইদুলের চাকরী হয়নি। পরবর্তীকালে জাইদুল কৃষি ব্যাংকে কেরানী পদে চাকরী পাই। আমি রাজনীতিসহ পৌরসভার কাউন্সিলর হওয়ার পর একটি প্রাইভেট কার কিনেছিলাম। সে সময় জাইদুল মোটরসাইকেল কেনার চাপ দিতে লাগলো। আমি বাধ্য হয়ে জাইদুলকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম। জাইদুলের পরিবারের সকলের চাপে প্রাইভেট কারটিও বিক্রি করলাম। সেই টাকা জাইদুলকে দিতে হলো। তাতেও তাদের মন পেলাম না। অবশেষে জাইদুল আমাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া জোসনা বেগমের সাথে মাদক ও নারী দেহ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে। আমি তাকে বাধা সৃষ্টি করলে সে আমার উপর আরো নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সে আমার বিরুদ্ধে একজন পর পুরুষকে বিবাহ করেছি বলে অপপ্রচার চালাতে থাকে। একপর্যায়ে সে আমাকে তালাক দেয়ার নোটিশ পাঠায়। সে নোটিশ আমি গ্রহণ করিনি। এখন তারা আপোষ মিমাংসা করার জন্য ঘুরছে। সে ইতিমধ্যে জোসনা নামের মেয়ের সাথে বিবাহ করেছে। বর্তমানে আমি আমার ছেলে মেয়ে নিয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে জাইদুল ও তার পরিবার কর্তৃক শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের সুবিচার প্রার্থনা করছি।


কমেন্ট বক্স
notebook

জীবননগর সীমান্তে ৫৮ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিরাপ ও কীটনাশক জব্দ