এএসআই মোস্তফার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরনের অভিযোগ
- আপলোড তারিখঃ
২৮-০৫-২০১৮
ইং
আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের নাগদাহ ইউপি’র ভোলারদাড়ী গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: আলমডাঙ্গার ভোলারদাড়ী গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে এএসআই মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে মাদকসেবীদের বাড়ি থেকে তাদেরকে আটকের পর মারধর করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় গত রবিবার মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার ভোলাদাড়ী গ্রামের ইসলাম ফকিরের ছেলে আমিরুল মন্ডলের বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে বিগত কয়েকমাস পূর্বেই সে মাদকসেবন ছেড়ে দিয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। তবুও এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তির মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গত রবিবার রাত ২টার দিকে এএসআই মোস্তফা কামাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আমিরুল মন্ডলের বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়ির সবাই যখন ঘুমিয়ে তখন এএসআই মোস্তফা কামাল ঘরের ভিতরে ঢুকে আমিরুলের স্ত্রীর শরীরে হাত দিয়ে ডাকে। পরে তার স্ত্রীর ঘুম ভাঙলে তাকে গালি দিয়ে আমিরুলকে ডাকতে বলে। এসময় আমিরুলের মা ঘুম ভেঙ্গে দেখে তার ছেলের ঘরের ভিতর পুলিশ। বাড়িতে ঢুকে না ডেকে সরাসরি ঘরের মধ্যে প্রবেশ করা সম্পর্কে এএসআই মোস্তফা কামালের কাছে জানতে চাইলে সে তাকে বারান্দা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা দেয়। এতে তার মা উঠানে পড়ে গিয়ে আহত হয়। আমিরুল ঘরের বারান্দার খুটি আকড়ে ধরলে মোস্তফা কামাল বিদেশি লাইট দিয়ে তার হাতে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে মারধর করে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশের এএসআই মোস্তফা কামাল জানান, ফকির ও তার ছেলে আমিরুল দু’জনই মাদকসেবী। তাদেরকে আটক করার উদ্দেশ্য এসআই সুফল ও আমি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালায়। এসময় ওই গ্রামের মহিলারা আমাদের উপর চড়াও হয়। পরে আমরা সেখান থেকে চলে আসি। ফকির মন্ডল ও তার ছেলে আমিরুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ খাান জানান, বিষয়টি আমি জানি না। এই ধরণের ঘটনা ঘটে থাকলে মোস্তফার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কমেন্ট বক্স