স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও মেলেনি মুক্তিযোদ্ধা সনদ!
- আপলোড তারিখঃ
১৭-০৪-২০১৮
ইং
বাবু/হামিদ, বারাদী: ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশ রক্ষার্থে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হয়ে গেলেও আজও নাম ওঠেনি মুক্তিযোদ্ধা তালিকায়; মেলেনি কোন মুক্তিযোদ্ধা সনদ। এমনটিই দাবি মেহেরপুর সদরের পিরোজপুর ইউনিয়ানাধীন গহরপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মৃত সলেমান বিশ্বাসের জৈষ্ঠ্যপুত্র আহসান হাবিব খোকনের। ১৯৭১ সালে দেশকে শত্রু মুক্ত করতে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার অকুতোভয় দামাল ছেলেরা। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা এই স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ বাংলাদেশ। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীনতা পেলাম তাদের অনেকেরই আজও মেলেনি মুক্তিযুদ্ধের সনদ, তারা আজ অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে জীবিকার তাড়নায় ছুটে বেড়ায় দিকবিদিক। এমনই বললেন আহসান হাবীব খোকন।
তিনি বলেন, আমার বাবা একজন প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশকে হানাদার মুক্ত করতে এবং জাতিকে একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ উপহার দেওয়ার জন্য ভারতের নদীয়া জেলার তেহাট্টা থানাধীন বেতায় ক্যাম্পে ভর্তি হয় পরবর্তীতে বেতায় ইয়ুথ এন্ড রিসিপশন (কুড়লগাছি) ক্যাম্পে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে এবং সেখানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহনকৃত জওয়ানদের প্রশিক্ষকের দায়িত্বও পালন করেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছর পরও মেলেনি তার মুক্তিযুদ্ধ সনদ। তার জীবদ্দশায় তিনি পায়নি মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা। তিনি ২০০২ সালে ইন্তেকাল করেন; কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা পিতার মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতির সনদ পেতে চাই তার পরিবার পরিজনেরা। আজ ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ সালের এই দিনেই মুজিবনগরের এই আ¤্রকাননে তারই সংগৃহীত লাল সবুজের সেই পতাকাটি প্রথম বাংলার আকাশে উড়ানো হয়। আর এইদিনেই তার সন্তানের দাবি পিতার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা চাই মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি।
কমেন্ট বক্স