বর্ণাঢ্য আয়োজনে চুয়াডাঙ্গায় শুরু হলো ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা : উদ্বোধনীতে বক্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্ণাঢ্য আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে শুরু হলো তিনদিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০১৮। গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন ফুটবল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। ডিজিটাল আয়োজনে পুরানো ঐতিহ্যের ধারক-বাহক হিসেবে র্যালির সম্মুখ ভাগে হাতি, ঘোড়া ও বিভিন্ন দপ্তরের সেবা সংশ্লিষ্ট ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড ও প্রেজেনটেশন রাখা হয়। র্যালি শেষে তিনদিনব্যাপী ‘ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৮’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসরিন আফরোজ। ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধনী পর্ব শেষে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব, শিক্ষা ও আইসিটি) মোহা. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. কামরুজ্জামান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. নুরুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, `ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে রুপকল্প ২০২১-২০৪১ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার ও উদ্বোধনী চর্চার মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যেই ‘ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা’র আয়োজন করা হয়েছে। জনগণকে এখন আর সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তি পেতে হয়না। খুব অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সরকারি সকল সেবা পাচ্ছে ঘরে বসে। এ ছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুব ও তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগানো হচ্ছে।`

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী শেষে প্রথম সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক আয়োজনে দর্শক মাতিয়ে তোলে কুষ্টিয়ার লালন দল ও বড়বলদিয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্ররা। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড সম্মেলনের পূর্বশর্ত হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার পর্যন্ত। সরকারের রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তব রুপ তুলে ধরতে মেলায় ই-সেবাসমুহ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা, তরুন উদ্ভাবক, জেলা ব্র্যান্ডিংসহ বাংলাদেশ ডিজিটালে রুপান্তরের সুবিধা সমুহ তুলা ধরা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে এ মেলার আয়োজনে বিভিন্ন সেবাদানকারী সরকারি/বেসরকারি অফিস ও সংস্থাসমুহের মোট ৪টি বড় প্যাভিলিয়ন ও ৮০ টি স্টল করা হয়েছে। যা থেকে প্রতিদিন সকল সরকারি/বেসরকারি অফিস ও সংস্থা কর্তৃক স্ব স্ব ডিজিটাল উদ্ভাবনী ও উন্নয়ন কার্যক্রম সর্বস্তরের জনগনের মাঝে উপস্থাপন ও প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা হবে। শ্রেষ্ঠ সেবাদানকারী ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে শেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদেরকে সমাপণী দিন পুরষ্কার দেয়া হবে।