রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

প্রিজনভ্যানে হামলা, বিএনপির ২ কর্মী 'ছিনতাই'

  • আপলোড তারিখঃ ৩১-০১-২০১৮ ইং
প্রিজনভ্যানে হামলা, বিএনপির ২ কর্মী 'ছিনতাই'
স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতির বাসায় পুলিশের অভিযান : খালেদা জিয়া আদালত থেকে ফেরার পথে গয়েশ্বর চন্দ্র ও অমিত গ্রেপ্তার : তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তাদের মুক্তি দাবি করে প্রেস ব্রিফিং ও বিবৃতি ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে থেকে পুলিশের প্রিজন ভ্যান ভেঙে তিন নেতাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আদালত থেকে ফেরার পথে হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারার পাশে এই ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ বলছে ওই প্রিজন ভ্যানে কেউ ছিল না। এদিকে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে তাকে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। অন্যদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ছেলে এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে শান্তিনগরের বাসা থেকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে দলটি। মঙ্গলবার মধ্যরাতে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাকে তুলে নেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে অনিন্দ্যকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি পুলিশ। এছাড়া মধ্যরাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। তিনি রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, রাতে পুলিশ অতর্কিতভাবে শফিউল বারীর ইস্কাটনের বাসায় অভিযান চালায়। তিনি যখন কথা বলছিলেন, তখন অভিযান চলছিল। জানা গেছে, বিএনপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ও প্রিজনভ্যান ভেঙে আটক দুই কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিএনপির কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করেন। মঙ্গলবার বিকেলে প্রকাশ্যেই রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারা এলাকায় এমন ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার বকশী বাজারে বিশেষ আদালতে হাজিরা দিয়ে ফিরছিলেন। ওই ঘটনার পর পুলিশ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৬০ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপস্থিতিতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে, প্রিজনভ্যান ভেঙে আটক দুইজনকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তবে পুলিশ তার নিরাপত্তা বিবেচনায় কোনো অ্যাকশনে না গিয়ে ধৈর্যের পরিচয় দেয়। ওই ঘটনায় পুলিশের একজন অতিরিক্ত উপ কমিশনারসহ ৮ জন আহত হন। অশুভ ইঙ্গিত: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে গ্রেফতারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার রাতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে ও সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ দাবি জানান। ফখরুল ইসলাম বলেন, মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে বিরোধী দলশুণ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করতে চায় বর্তমান সরকার। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে ধ্বংস করে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করার জন্যই সরকার খালেদা জিয়াকে সপ্তাহের অধিকাংশ দিন আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করছে । একইভাবে বিএনপি'র জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশব্যাপী প্রতিনিয়ত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে পথের কাঁটা দুর করতে চাচ্ছে। এদিকে রাতে নয়াপল্টনে এক জরুরী প্রেস ব্রিফিংয়ে গয়েশ্বরের রায়কে আটকের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার নি:শর্ত মুক্তি দাবি করেন রিজভী আহমেদ।


কমেন্ট বক্স
notebook

সাড়ে ৭ কোটি টাকার ক্রিস্টাল আইস উদ্ধার