সংবিধানে সংশোধনী আসছে
- আপলোড তারিখঃ
২৯-০১-২০১৮
ইং
সংরক্ষিত নারী আসন বিধান ২০ বছরের প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভায়
সমীকরণ ডেস্ক: জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের বিধানটির মেয়াদ বাড়াতে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী আনা হবে। এ ক্ষেত্রে এই মেয়াদ ১০ বছরের বদলে ২০ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংসদের চলতি অধিবেশনেই এ সংশোধনীর প্রস্তাব আনা হতে পারে। এ উদ্দেশ্য সামনে রেখে আজ সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮’-এর খসড়ার নীতিগত/চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়টি রাখা হয়েছে। একাধিক সিনিয়র মন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মেয়াদ বাড়ানো না হলে বর্তমান দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিলুপ্ত হয়ে যাবে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের নিয়ম। ২০০৪ সালে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীতে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয় (সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের তৃতীয় দফায়) ‘২০০৪ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া দশ বৎসর কাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন।’
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের তৃতীয় দফাকে উদ্ধৃত করে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তারা আরো জানিয়েছেন, ২০০৪ সালে ছিল অষ্টম সংসদ, যার মেয়াদ শেষ হয় ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর। মাঝে প্রায় দুই বছরের অনির্বাচিত সরকারের সময় পেরিয়ে নবম সংসদ শুরু হয় ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। ওই দিন থেকেই নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ গণনা শুরু হয়েছে। ১০ বছর পেরিয়ে এই সময় শেষ হবে ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি।
এ ছাড়া আজকের মন্ত্রিসভা বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন এবং ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮’ নীতিগত অনুমোদন পেতে পারে। এ জন্য প্রণীত খসড়াটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।’
কমেন্ট বক্স