রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

শেষ পর্যায়ের নির্বাচনী প্রচারণায় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস : বিভিন্ন দল থেকে বিএনপি’তে যোগদান

  • আপলোড তারিখঃ ২৫-১২-২০১৭ ইং
শেষ পর্যায়ের নির্বাচনী প্রচারণায় নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস : বিভিন্ন দল থেকে বিএনপি’তে যোগদান
জীবননগর উথলীতে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালামের নির্বাচনী পথসভায় অহিদুল-বাবু খান ধানের শীষে ভোট দিলে দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন থাকবে এসএম শাফায়েত/জেড.আই মামুন: জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ে ফলাফল প্রকাশের পরও মাঠে থাকবে নেতাকর্মীরা। কেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, জালভোট ও নাশকতা মোকাবেলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের মাঠে থেকে কাজ করতে হবে। এক ভাব কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করবে। একটি ভাগ কেন্দ্রের চারদিকে খেয়াল রাখবে; যেন কোন প্রকার নাশকতার আগেই প্রশাসনের কাছে খবর পৌছুতে পারে এবং তৃতীয় ভাগ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দ্রুত ভোট কেন্দ্রে আসার জন্য সহায়তা করবে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর জীবননগর উপজেলাধীন উথলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের শেষ পর্যায়ের প্রচার প্রচারণায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের নির্বাচনী পথসভা, কর্মী সমাবেশ ও গণসংযোগকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ অহিদুল ইসলাম বিশ^াস। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র উপ-কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘জনগণের রায় আমরা মাথা পেতে নেবো; তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, আমরা স্বচ্ছ রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।’ উথলী ইউনিয়নবাসীদের উদ্দেশ্যে বাবু খান বলেন, ‘বিগত দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে কূটকৌশল এবং জালিয়াতির মাধ্যমে এ ইউনিয়নে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হয়নি। ভোট না দিয়ে আপনাদের যে মৌলিক অধিকার; ভোট দেয়ার অধিকার তা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ নির্বাচনে যদি আবারও তারা জয়লাভ করে তবে আরেকটি নির্বাচনের জন্য ১৪ বছরের বিপরীতে ২৮ বছর অপেক্ষা করা লাগবে। তা যদি আমরা না চায়; তবে ধানের শীষ প্রতীকে আবুল কালাম আজাদকে বিজয়ী করে গণতন্ত্র রক্ষায় অংশীদার হতে হবে। মনে রাখবেন ধানের শীষে ভোট দিলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন থাকবে।’ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘অতি রঞ্জিত কিছু না করে আচরণ বিধির মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে। ধানের শীষের বিজয় হবেই। সাধারণ ভোটার ও দলীয় প্রার্থীর ক্ষতি হয় এমন কিছু করা যাবে না। বিএনপি কোন সহিংসা বা হিংসাত্বক মনোভব নিয়ে রাজনীতি করে না।’ গতকাল রবিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উথলী ইউনিয়নের উথলী বাসস্ট্যান্ড, মোল্লাবাড়ী, মৃগমারী, সেনেরহুদা, একতারপুর, শিয়ালমারী, সিংনগরের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা এবং হাট-বাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেন নেতৃবৃন্দ। এ সময় উথলী ইউনিয়নের একতারপুর ধানের শীষ নির্বাচনী অফিসে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে অহিদুল বিশ্বাস-বাবু খানের হাত থেকে বিএনপি’র প্রতীক ধানের শীষ হাতে নিয়ে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল থেকে বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন। এদিকে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক প্রবীণ রাজনীতিবীদ অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস ও কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবুর যৌথ নির্বাচনী প্রচারণায় নেতাকর্মীদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মত। কয়েক শতাধিক মোটরসাইকেলসহ বিশাল গাড়ী বহর নিয়ে গণসংযোগে নির্বাচন উৎসবের বাড়তি আমেজ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন এলাকায় খন্ড মিছিল ও সমাবেশে মূখর হয়ে ওঠে গোটা উথলী ইউনিয়ন। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারসহ সর্বস্তরের মানুষ এ সময় ধানের শীষের প্রচারাভিযানকে হাত নেড়ে সমর্থন জানান। গণসংযোগে অংশ নেন চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, সদস্য সচিব সাইফুর রশিদ ঝন্টু, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরীফ-উর-জামান সিজার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ সরোয়ার রোমান, যুগ্ম-আহ্বায়ক রাজীব খান, শাহাজাহান খান, মোমিনুর রহমান মমিন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক ও আন্দুলবাড়ীয়া ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান খোকন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ও সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান তনু, সদর ইউপির সভাপতি আঃ রহমান মালিতা, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্পাদক আঃ ওয়াহেদ, জীবননগর পৌর বিএনপি’র সভাপতি শাহজাহান কবির, সাধারন সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আঃ রশিদ, দর্শনা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান বুলেট, সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাহারুল ইসলাম, যুবদল নেতা জালাল উদ্দীন লিটন, জাহান আলী, মদনা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি শফিউল্লাহ, সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বিপ্লব, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী, বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েন, সাধারণ সম্পাদক উসমান গণী, বদর উদ্দীন বাদল, হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মুন্সি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি শরিফ উদ্দীন দারা, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আতিয়ার রহমান, সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোনা, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিম খান, পেয়ারা বেগম। এ ছাড়াও উথলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, সাবেক ইউপি মেম্বার ইউনুচ আলী, বর্তমান মেম্বর মাহাতাব আলী, রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান, যুবদল নেতা রফিউল আলীম, আরিফুজ্জামান আরিফ, মজিবর, বাবু, রুপমিয়া মেম্বর, বিশারত বাবু, আঃ মান্নান, খাদিমুল ইসলাম খোকন, জীবননগর উপজেলা ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন আনার, আজমত, ইকতা, সরোয়ার, মিঠু, আলফাজ, মনির, মিল্টন, হাসু, লিপ্টন, অমিত খান, হযরত, আলামিন, তপু, সোহাগ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

সাড়ে ৭ কোটি টাকার ক্রিস্টাল আইস উদ্ধার