চুয়াডাঙ্গা কোর্ট পোষ্ট অফিসে প্রাপ্তির স্বীকারপত্র সংকট : দুর্ভোগ
- আপলোড তারিখঃ
২০-১২-২০১৭
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বরে অবস্থিত পোষ্ট অফিসে রেজিষ্ট্রি ডাকের স্বীকারপত্র সংকটের কারণে ভোগান্তিতে মক্কেল ও আইনজীবীরা।
কারণ তাদেরকে প্রতি বিচার কার্যদিবসে মক্কেলদের পক্ষে মামলার প্রয়োজনে রেজিষ্ট্রি ডাকের প্রকৃত ছাপা প্রাপ্তির স্বীকারপত্র সংযুক্ত করতে হয় কারণ এটি একটি জরুরী ডকুমেন্ট। আর এই প্রাপ্তির স্বীকারপত্র সংকটের কোন সঠিক কারণ বলতে পারেননি কর্তব্যরত পোস্ট মাস্টার।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই চুয়াডাঙ্গহা কালেক্টরেট ভবনে অবস্থিত পোষ্ট অফিসে প্রতিদিন আইনজীবীদের সহযোগী মহরাররা প্রায় শতাধিক উকিল নোটিশ রেজিষ্ট্রি করে থাকেন। এসকল উকিল নোটিশ রেজিষ্ট্রি ডাকের প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রাপ্তির স্বীকারপত্র বাধ্যতামূলক।
অথচ জরুরী এই ডকুমেন্টটি চাহিদা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিস থেকে সরবরাহ করতে না পারার কারণে ব্যহৃত হচ্ছে আইনী প্রক্রিয়া ও ভোগান্তিতে পড়ছেন মক্কেল ও আইনজীবীরা।
মহরররা অভিযোগ করেন বলেন, প্রাপ্তির স্বীকারপত্র না থাকায় পোষ্ট মাষ্টার ভুক্তভোগীদেরকে সাদা কাগজে হাতে তৈরী প্রাপ্তি স্বীকারপত্র বানিয়ে উকিল নোটিশ ও জরুরী চিঠি রেজিষ্ট্রি করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
এছাড়া কালেক্টরেট ভবনস্থ পোষ্ট অফিসে ফেরত প্রাপ্তির স্বীকারপত্রগুলো সাধারণ কাগজের হওয়ায় অনেক সময় ঠিকমত ফেরৎ প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি পাওয়া যায় না। অনেক সময় প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি যথারীতি ফেরৎ আসলেও অনেকে পরিত্যাক্ত কাগজ মনে করে ফেলে দেয়। এসব, প্রাপ্তির স্বীকারপত্র মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূণ তথ্য উপাত্ত।
এবিষয়ে একাধিক আইনজীবি জানান, এই পোস্ট অফিসে প্রাপ্তির স্বীকারপত্র সংকট দীর্ঘদিনের। প্রাপ্তির স্বীকারপত্র মামলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। মক্কেলগণদের আইনী সহায়তা দিতে আমাদের যেমন দূর্ভোগ পোহাচ্ছি তেমনি ক্ষেত্র বিশেষ বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
কালেক্টরেট ভবনে অবস্থিত পোষ্ট অফিসের কর্তব্যরত পোষ্ট মাষ্টার আসাদুজ্জামানের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাপ্তির স্বীকারপত্রের চাহিদা দিলেও চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ না থাকায় এই সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে।
কমেন্ট বক্স