৭ দিনে শিশুসহ ২৭৩ রোগী ভর্তি : চিকিৎসা দিতে হিমশিম
- আপলোড তারিখঃ
১৭-০১-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গায় ক্রমেই বেড়ে চলেছে রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ার প্রকোপ
নিজস্ব প্রতিবেদক: তীব্র শীতে চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে ক্রমেই বেড়ে চলেছে রোটা ভাইরাস জনিত ডায়রিয়ার। এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। গত ৭ দিনে শিশুসহ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৭৩ রোগী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও প্রতিদিন বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে শত শত শিশুসহ নারী-পুরুষ। এদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। চিকিৎসকরা বলছেন, তীব্র শীতে রোটা ভাইরাসজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে বেশির ভাগ রোগী। এদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ড থাকলেও নেই কোন বেড। তীব্র শীতে মেঝেতেই চলছে শিশুসহ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা। এতে যেমন রোগী ও তার স্বজনদের জরাজীর্ন অবস্থার মধ্যে পড়তে হচ্ছে, ঠিক তেমনই চিকিৎসা দিতে সেবিকারাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের দুইটি কক্ষ। সেখানে কোন বেড নেই। মেঝেতে রেখেই চলছে শিশুদের চিকিৎসা। তীব্র শীতে এই মেঝেতে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও স্বজনরা ওয়ার্ডে বেড না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সদর হাসপাতালে প্রত্যেক ওয়ার্ডে বেড থাকলেও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে নেই কোন বেড। এই শীতে শিশুদের নিয়ে মেঝেতেই থাকতে হচ্ছে। তাঁরা আরও বলেন, দুইকক্ষে কোন তিল পরিমাণ জায়গা নেই। এছাড়াও প্রতিদিন ডায়রিয়ায় এতো রোগী ভর্তি হচ্ছে তাতে পুরো বারান্দায়ও কোন জায়গা নেই। বারান্দায় অতিরিক্ত রোগী থাকার কারণে প্লেন সিড়িতে যে কোন রোগী নিয়ে যেতে ব্যাঘাত ঘটছে।
এদিকে, গতকাল রাত পর্যন্ত ৪৩ জন শিশু রোটা ভাইরাসজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। গত ৭ দিনে মোট ২৭৩ রোগী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এতে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসক ও সেবিকারা।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন সেবিকা এই প্রতিবেদককে বলেন, দিনে দিনে বেড়েই চলছে ডায়রিয়া রোগীর চাপ। এতে বেশির ভাগই শিশু। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে কোন বেড না থাকায় ছোট ছোট শিশুদেরকে নিয়ে বিপাকে পড়ছে স্বজনরা। তিল পরিমাণ কোন জায়গা নেই। এতে আমাদের সেবা দিতে খুবই বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে।
কমেন্ট বক্স