রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগর রায়পুরে বাবু খানের নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাঙচুর

  • আপলোড তারিখঃ ১২-১২-২০১৮ ইং
জীবননগর রায়পুরে বাবু খানের নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপি-ছাত্রদলের চার নেতাকর্মীকে পিটিয়ে জখম জীবননগর অফিস: জীবননগর রায়পুরে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবুর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় বিএনপি’র চারজন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগও উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রায়পুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রায়পুর চৌরাস্তার মোড়ে জীবননগর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান বিএনপির নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন করেন। অফিস উদ্বোধন শেষে আনোয়ার হোসেন খান চলে গেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির অফিস ভাঙচুরসহ অফিসে থাকা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এ সময় আহত হন রায়পুর গ্রামের ফকির চাঁদের ছেলে বিএনপি নেতা মিজানুর (৪৫), রেজাউলের ছেলে ভট্টু (৩৮), ছোট খোকার ছেলে দিলু (৩০) এবং কামরুজ্জামানের ছেলে ছাত্রদল নেতা সিহাব (২০)। আহত চার জনের মধ্যে ছাত্রদল নেতা সিহাবের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যায় রায়পুর বাজারে বিএনপির নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন শেষে নেতাকর্মীরা অফিসে বসে নির্বাচনী আলাপ-আলোচনা করছিল। এ সময় রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাহাজ্জত হোসেন মির্জা, তার ছেলে সবুজ মির্জা, রফিসহ বেশ কিছু লোকজন রড, হাতুড়ি, লাঠি-সোটা নিয়ে অফিস ভাঙচুরসহ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে চার জন নেতাকর্মী আহত হন, তিন জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নেওয়া হয়, আর ছাত্রদল নেতা সিহাবের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই অভিযোগ করেন ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রোকনুজ্জামান রুবেল বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে রায়পুর গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে সিহাব গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। তার পিঠে, মাথায় ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে তবে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আশাকরি খুব দ্রত সুস্থ হয়ে যাবে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তাহাজ্জত মির্জার সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত ফোনটি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। একই পরিস্থিতি জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গনি মিয়ার ক্ষেত্রেও। তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে ফোনটি শেষ পর্যন্ত রিসিভ হয়নি।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত