রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় মহান বিজয় দিবসের প্রস্তুতিসভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার ফরহাদ

  • আপলোড তারিখঃ ১৫-১১-২০১৮ ইং
চুয়াডাঙ্গায় মহান বিজয় দিবসের প্রস্তুতিসভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার ফরহাদ
জাতীয় পতাকার অবমাননা কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান বিজয় দিবস-২০১৮ উদযাপন উপক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যদায় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল বুধবার বিকাল ৩টার সময় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমেদের সভাপতিত্বে এ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ বলেন, সকল কাজের চেয়ে বিজয় দিবস গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সকল সরকারি বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, ওই দিন সকলকে উপস্থিত থাকতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে শ্রদ্ধা যেন শ্রদ্ধার সাথেই হয়। এসময় তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতীয় পতাকার অবমাননা কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি এ দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে, তারা যেনো সঠিক নিয়ম-কানুন মেনে পতাকা উত্তোলন করেন। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও তিনি সকল উপ-কমিটিকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রস্তুতিমূলক মহড়া ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান যেন কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে না পরে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা। তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখানোর চেষ্টা করবো সবাই। বিজয় দিবসের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে জাতীয় পতাকার রং ও মাপ সঠিক নিয়ম পালন করে উত্তোলন করতে হবে। যদি কেউ সঠিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করে বিষয়টি যদি প্রশাসনের নজরে আসে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিজয় দিবসের দিন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সরকারি ছুটি হলেও সরকারি সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। ফলে, ওইদিন ব্যক্তিগত কোনো কর্মসূচি থাকলে তা বাতিল করতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগিদের এখন থেকেই প্রাকটিস করাতে হবে। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ বলেন, মহান বিজয় দিবসে যার যে কাজ আছে তা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বিজয় দিবসে তিন স্তর বিশিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সর্বক্ষণ নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান নির্বিঘেœ করার চেষ্টা থাকবে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর অবস্থা মোকাবেলা করতে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বদা নিয়োজিত থাকবে। মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৫ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় দর্শনা রেলগেট থেকে চুয়াডাঙ্গা পর্যন্ত ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা, ইসলামিক ফাউন্ডেশনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা সভা, শিশু একাডেমিতে সঙ্গীত ও আবৃত্তি অনুষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে আলোকসজ্জা, সড়কদ্বীপে জাতীয় পতাকা দ্বারা শোভাবর্ধন, ১৬ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যে দিয়ে দিবসের সূচনা। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৬টায় মহান শহীদ স্মৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সকাল ৮টায় পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে পুলিশ ও আনসারদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সিনেমা বিনামূল্যে প্রদর্শন, শিশুদের জন্য পার্ক বিনামূল্যে উম্মুক্ত থাকবে। হাসপাতাল, জেলখানা, শিশুপরিবার ও অন্ধস্কুলে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, প্রীতি ফুটবল, দড়াটানা খেলা, নৌকাবাইচ খেলা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সভায় এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল আরিফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইয়াহ ইহা খান, সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম। সভায় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী, সহকারি কমিশনার (ত্রাণ শাখা) সিব্বির আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান৷ এছাড়া বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী সামাজিক রাজনৈতিক সাংবাদিক ছাড়াও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক- পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত