আলমডাঙ্গার বেলগাছিতে শর্ত ভেঙ্গে বালি উত্তোলন
- আপলোড তারিখঃ
০৩-১১-২০১৮
ইং
সচিত্র সংবাদ প্রকাশ : অনুমতি বাতিল
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (আলমডাঙ্গা): আলমডাঙ্গার বেলগাছি ইসলামপাড়ার জিকে ক্যানেল, বসত বাড়ি ও ফসলি জমির পাশে ড্রেজার মেশিনে অবৈধভাবে অনুমতি পত্রের শর্ত ভেঙ্গে বালু উত্তোলনের সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর বালু উত্তোলনের অনুমতি বাতিল করেছে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার। গত ২১ ও ২৯ অক্টোবর দৈনিক সময়ের সমীকরণে সচিত্র সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৯ নভেম্বর আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন তহশীলদারকে বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিলে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়ায় রবগুলকে বালি উত্তেলন বন্ধ করে ড্রেজার মেশিন সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান জানান, ২১ ও ২৯ শে অক্টোবর ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। তাৎক্ষণিক ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও ইউনিয়নের তহসিলদারকে পাঠিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করা হয় এবং বালি উত্তোলনের সাথে সকল সরাঞ্জামাদী সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। সেইসাথে সকল অনুমোদনের কাগজ জব্দ করে অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। ওই পুকুর থেকে আর কোন প্রকার বালি উত্তোলন করতে দেয়া হবে না বলে জানান।
উল্লেখ্য, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে উল্লেখ আছে, ২০১০ সালের ৬২নং আইনের ১৫ (১) ও (২) ধারা ৪-এ বর্ণিত আছে, কতিপয় ক্ষেত্রে বালু বা মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত বিধানসহ অন্য কোনো বিধান, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অমান্য করলে, এই আইন বা অন্য কোন বিধান লংঘন করলে, বালু বা মাটি উত্তোলনের জন্য বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করলে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ব্যক্তিবর্গ (এক্সিকিউটিভ বডি) বা তাহাদের সহায়তাকারী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ অনূর্ধ্ব ২(দুই) বছরের কারাদ-ে দ-িত হবেন। এছাড়া সর্বনি¤œ ৫০ হাজার টাকা থেকে ১০ (দশ) লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদ-ে দ-িত হবেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এই আইনের অধীনে অপরাধ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ভ্রাম্যমাণ আদালত বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার হবে বলেও আইনে বলা আছে।
কমেন্ট বক্স