রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় জেএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতি সভায় জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস

  • আপলোড তারিখঃ ২৩-১০-২০১৮ ইং
চুয়াডাঙ্গায় জেএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতি সভায় জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস
অবৈধ পন্থা অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে আফজালুল হক: আগামী ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে অষ্টম শ্রেণির সমাপনী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) সমমানের পরীক্ষা। বাংলা প্রথমপত্রের মধ্যদিয়ে শুরু হবে পরীক্ষার প্রথম দিনের আনুষ্ঠানিকতা। চুয়াডাঙ্গায় এ বছর ২৯টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবে ২১ হাজার ৮১৯ পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। বিশেষ করে প্রশ্ন ফাঁস রোধ, পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তা ও নকল মুক্তকরণের বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন জেএসসি ও সমমান এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণির বোর্ড সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ওই সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহসহ জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ। সভায় জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, সুষ্ঠু পরিবেশে যেন প্রতিটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীর আবশ্যিকভাবে হলে প্রবেশ ও আসন গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ওই সময়ের পরে কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে কিংবা পরীক্ষা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে মোবাইল ফোনসহ কাউকে পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় কেবল কেন্দ্র সচিব সাধারণ (স্মার্টফোন নয়) একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারেন, যা দিয়ে ছবি তোলা যায় না। তবে ওই ফোনটিও কেন্দ্র সচিবের কক্ষে রেখে ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো পরীক্ষার্থী মোবাইল ও বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বহন করতে পারবে না। প্রশ্নপত্র খোলার সময় প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ ও অবস্থান সংরক্ষিত করতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ এমন হওয়া উচিত যেখানে ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ প্রয়োজন হবে না। আগামীতে এটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা। প্রবেশপত্র, কলম ও জ্যামিতি বক্স ব্যতীত কোন কিছু নিয়ে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নকলরোধে পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্রে দায়িত্বরত পরিদর্শকগণ মোবাইল ফোন, স্মার্ট ঘড়ি ও ক্যালকুলেটর পরীক্ষা কেন্দ্রে নিতে পারবে না। পরীক্ষা শুরুর পূর্বে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের শরীর তল্লাশী করে কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন জেলা প্রশাসক। এছাড়াও মোবাইল বহনকারী শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষা কক্ষের পরিবেশ, শিক্ষকদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনসহ পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন অতিথিবৃন্দ।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত