আজ সমাবেশ, কী বার্তা দেবে বিএনপি?
- আপলোড তারিখঃ
৩০-০৯-২০১৮
ইং
ডেস্ক রির্পোট: রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির ডাকা সমাবেশ। এদিন দুপুর ১২ টায় সমাবেশ শুরু হবে সম্মিলিত গণসংগীতের মধ্য দিয়ে। ইতোমধ্যে সমাবেশের মঞ্চ প্রস্তুতসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া শর্তের আলোকে সব ধরনের আয়োজন শেষ করে এনেছে বিএনপি। এই সমাবেশকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, ইতোমধ্যেই বিএনপি খালেদা জিয়ার কারামুক্তি, দশম সংসদ ভেঙে দেওয়া, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েই এসেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ থেকে নতুন কী বার্তা দেবে দলটি?
এদিকে, সমাবেশকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। রাজধানীর আশেপাশের এলাকা থেকেও সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা যোগ দেবেন। দায়িত্বশীল নেতাদের অভিযোগ, সমাবেশকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেছেন, বিগত দুই সপ্তাহ ধরে তারা বাসায় বসবাস করতে পারছেন না। বিএনপি নেতারা বলছেন, সমাবেশকে কেন্দ্র করে যানবাহন চলাচলে বাধা দেবে সরকার। একারণে রবিবার সকাল থেকে গণপরিবহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার আশঙ্কা করছেন তারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, রবিবারের সমাবেশ থেকে নীতি-নির্ধারণী বক্তব্য আসার কথা প্রচারিত হলেও নতুন কোনও চমক থাকছে না। বরং গত একবছর ধরেই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার দাবিতে যে বক্তব্যগুলো দেওয়া হয়েছে, সমাবেশ থেকে তা-ই পুনর্ব্যক্ত করা হবে। স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সমাবেশে অংশ নেবেন। শরিক হবেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারাও। বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও সমাবেশে বিপুল উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ও শনিবার সমাবেশের অনুমতি না দিয়ে দুই দিন পিছিয়ে রবিবার জনসভার অনুমতি দেওয়ার পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য দেখছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলছেন, সমাবেশ যেন সফল না হয়, সেজন্য শেষ সময়ে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই সমাবেশকে ঘিরে সারাদেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এসব সমস্যার মধ্যে জনসভাকে সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের কেউ-কেউ বলছেন, জনসভায় দলের নীতি-নির্ধারণী বার্তা দেওয়া হবে। তুলে ধরা হবে দলের আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা। একইসঙ্গে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ করতে সরকারের উদ্দেশে সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করা হবে। পাশাপাশি দেশের রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের জন্য বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গি নেতারা তাদের বক্তব্যে পরিষ্কার করবেন। বিশেষ করে, গত কয়েকমাসে বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা যেভাবে ভবিষ্যতের পরিবর্তন নিয়ে কথা বলছেন, তার বিষয়ে দলের অবস্থান ও পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
কমেন্ট বক্স