রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মেহেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আইটি টিমের তদন্ত অব্যহত

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০৯-২০১৮ ইং
মেহেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আইটি টিমের তদন্ত অব্যহত
অভিযুক্ত শিমুলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ নিজস্ব প্রতিবেদক: মেহেরপুর অগ্রণী ব্যাংক থেকে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অভিযুক্ত অত্র ব্যাংকের ক্লিয়ারিং অফিসার মাহামুদুল করিম শিমুল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে প্রায় ৪ কোটি টাকার উপরে টাকা গায়েব হওয়ার কথা স্বীকার করেন। বিজ্ঞ আদালত জবানবন্দি শেষে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। গতকাল বুধবার তিনি আদালতে এ টাকা আত্মসাতে বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আত্মসাতের সাথে জড়িত মাহমুদুল করিমের স্ত্রী জেসমিন করিম, ভাই সামিউল করিম, বোন নুরুন নাহার ও নিকট আত্মীয় বাশার আলী এখনো পুলিশের ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছে। এদিকে, ঢাকা হেড অফিস থেকে থেকে আসা আইসিসি’র ৪ সদস্যের আইটি বিশেষজ্ঞ টিমি ৭ কর্মদিবস তদন্ত চালিয়ে যাবে বলে জানা যায়। অগ্রণী ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের সাথে আরো কোন ব্যক্তি জড়িত আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখবে তদন্ত দল। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে আড়াই কোটি টাকার একটি ট্রান্সজেকশনের খোঁজ না পাওয়ায় মাহামুদুল করিম শিমুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বেরিয়ে আসে প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকার আত্মসাতের ঘটনা। এ সকল অর্থ স্ত্রীসহ ৪ জনের নামে বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ট্রান্সফার করে এবং পরবর্তীতে সেই টাকা চলে যায় বিভিন্ন খাতে। টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মেহেরপুর শাখার ব্যাংক ম্যানেজার বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা করলে গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে অভিযুক্তকে আটক করা হয়। এরই মধ্যে ঢাকা হেড অফিস থেকে ৪ সদস্য বিশিষ্ট আইটি বিভাগের বিশেষজ্ঞ দল চলতি সপ্তাহসহ ৭ কর্মদিবস তদন্ত কাজ চালিয়ে যাবে বলে জানায়। গত মঙ্গলবার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় বিভাগীয় প্রধান কার্যালয় থেকে আরো তিনজন আইটি বিশেষজ্ঞ মেহেরপুর শাখায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তের সাথে দুদক ঐক্যবদ্ধভাবে সুষ্ঠু তদন্ত করে মাহামুদুল করিম শিমুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের করবে বলে জানা যায়। অন্যদিকে, প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ব্যাংকের ভিতর জানাজানি হওয়ার পরপরই ব্যাংকের বিভাগীয় সার্কেল অফিস খুলনা থেকে ৩ সদস্যের আইটি সদস্যে’র বিশেষজ্ঞরা মেহেরপুর শাখায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন টেকনিক্যাল বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখছেন। ব্যাংকের আইটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অত্যান্ত টেকনিক্যালী এই টাকা আত্মসাত করেছেন মাহমুদুল করিম। টেকনোলজি সম্পর্কে অত্যাধিক জ্ঞান থাকার ফলে এ টাকা সরাতে পেরেছেন তিনি। যা কোন সাধারণ ব্যাংকারের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, আরো বড় অংকের টাকা আত্মসাতের ঘটনা বেরিয়ে আসতে পারে।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত