সন্তানকে ফিরে পেতে পিতার সংবাদ সম্মেলন
- আপলোড তারিখঃ
২৬-০২-২০১৮
ইং
চুয়াডাঙ্গায় দালালের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে বিদেশ গিয়ে হারানো
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশ যেতে দালালকে দিতে হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। মোটা অংকের টাকাগুনে ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পর এখন চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ার একরামুল হকের পরিবার অন্ধকারের মুখে। তিন মানবপাচারকারী দালালের কাছে টাকা দিয়ে ছেলে ইমরান হোসেনকে বিদেশ পাঠিয়ে এখন আর তার খোজ না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পিতা একরামুল। গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। একরামুল হক তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা বাগানপাড়ার মোমিনুল ইসলামের জামাই শামীম জোয়ার্দ্দার, তার স্ত্রী মনিরা খাতুন লিমা ও মৃত সারজেদ কাঠালের ছেলে মোমিনুল ইসলামের কাছে দুই কিস্তিতে ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেলে ইমরান হোসেনকে লেবাননে পাঠানো হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিগত ১৭/০৫/২০১৬ তারিখে ইমরান হোসেনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। অতঃপর তাকে মানবপাচারকারী চক্রের মাধ্যমে লেবাননে পাঠিয়ে সেখানে আটকে রেখে আরো ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করা হয়। টাকা না দেয়ায় আমি আমার ছেলের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না। তাকে খুন করে লাশ গুম করে দেয়া হয়েছে অথবা আটকে রেখে জবরদস্তিমূলক কাজ করিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে আমাদের ধারণা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ০৮/০১/২০১৭ তারিখে এই তিন দালালের নামে বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল-১ চুয়াডাঙ্গাতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার নং ০৬/২০১৭। মামলা দায়েরের ঘটনাটি জানতে পেরে ওই তিনজন মামলা হতে রেহাই পেতে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সি.এম.এম আদালত ঢাকাতে একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলায় ঘটনার তারিখ দেখানো হয়েছে ১৫/০৫/২০১৭ যা আমার দায়ের করা মামলার পরবর্তী ঘটনা। এমতাবস্থায় আমার পরিবার চরম অন্ধকারের মধ্যে এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে রয়েছে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি পূর্বক ছেলেকে ফেরৎ পাবার আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
কমেন্ট বক্স