মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সরকার নির্ধারিত মূল্যেই খুচরা পর্যায়ে বিক্রি
  • আপলোড তারিখঃ ২০-১০-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

দেশজুড়ে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি এবং সরবরাহ সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে চুয়াডাঙ্গার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ও সরবরাহ নিয়ে ডিলার, খুচরা বিক্রেতা, ভোক্তা, হোটেল মালিক ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বাজারে ১২ কেজি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৮৩৭ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগের সঙ্গে স্থানীয় বাজারের চিত্রের মিল পাওয়া যায়নি।


চুয়াডাঙ্গার একটি এলপিজি ডিলার পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রদর্শিত মূল্যতালিকায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা লেখা রয়েছে। ওই ডিলার জানান, তিনি সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। বাজারে সিলিন্ডার সংকট নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতা নিজাম বলেন, ‘১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি করছি। যে দামে কিনতে হচ্ছে, তার চেয়ে সামান্য লাভ রেখেই বিক্রি করছি। অতিরিক্ত লাভ করছি না।’


এদিকে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে হোটেল ব্যবসা ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যয়েও। রান্নার জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিকেরা জানান, ‘এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে যাওয়ায় খাবারের দামও কিছুটা বাড়াতে হয়েছে। বর্তমানে সিলিন্ডারের দাম অনেক বেশি। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসায় লাভ করা কঠিন হয়ে পড়বে।’


একই উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন চাকরিজীবী আবুল কালাম। তিনি বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়ুক বা কমুক, প্রয়োজনের কারণে কিনতেই হবে। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লেও আমাদের বেতন বাড়েনি। নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়তে থাকলে সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাড়তি ব্যয় বহন করা বেশ কষ্টকর।’


চুয়াডাঙ্গার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির চিত্র স্থানীয় বাজারে পাওয়া যায়নি। তবে খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি এবং বাজার তদারকির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।


উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে। নতুন নির্ধারিত মূল্য কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বাড়তি ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সাধারণ ভোক্তারা।



কমেন্ট বক্স
notebook

দামুড়হুদায় গাঁজাসহ আটক যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড