জীবননগর-দর্শনা আঞ্চলিক মহাসড়কে মাইক্রোবাস, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা ২টার দিকে উথলী বিজিবি ক্যাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে অন্তত ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন- জীবননগর উপজেলার সেনেরহুদা গ্রামের ফজলুর রহমান ওরফে কালো ফজলুর ছেলে ইজিবাইক চালক লিখন হোসেন (২৯), ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে মোটরসাইকেল চালক সাদ্দাম হোসেন (৩৩), কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আসাননগর গ্রামের মৃত ফেদ আলী মালিথার ছেলে আমজেদ মালিথা (৪৭), একই গ্রামের মৃত আবু জেহেলের ছেলে আব্দুস সোবহান (৫৭), বজলুর রহমানের স্ত্রী রেশমা খাতুন (৪২) এবং রেশমার শিশু কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রীবোঝাই একটি ইজিবাইক দর্শনার দিকে যাচ্ছিল। উথলী বিজিবি ক্যাম্পের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিজ লেন ছেড়ে ডান পাশে চলে যায় এবং দ্রুতগতিতে ইজিবাইকটিকে সামনের দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেলও মাইক্রোবাসটির ধাক্কায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
দুর্ঘটনার পর উথলী বিজিবি ক্যাম্পের সদস্য ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে আহত লিখন হোসেনকে প্রথমে যশোর সদর হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। এছাড়া আমজেদ মালিথা, আব্দুস সোবহান ও রেশমা খাতুনকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো হেফাজতে নেয়। তবে দুর্ঘটনার পর থেকেই মাইক্রোবাসের চালক পলাতক রয়েছেন।
উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আশরাফুল ইসলাম রতন বলেন, “আমার সামনেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ধারণা করছি, মাইক্রোবাসের চালক ঘুমের ঘোরে ছিলেন। না হলে এমন দুর্ঘটনা হওয়ার কথা নয়।”
প্রতিবেদক উথলী