রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরে সেতু নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

সিডিউল অনুযায়ী কাজ হচ্ছে দাবি ঠিকাদারের
  • আপলোড তারিখঃ ১০-০৫-২০২৬ ইং
জীবননগরে সেতু নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জীবননগর পৌরসভার ৪ ও ৫ ন¤^র ওয়ার্ডের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া ˆভরব নদের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে| স্থানীয়দের দাবি, সেতু নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু মিশ্রিত পাথর ও নিম্নমানের ঢালাই সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে| 


স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, উড়ঁষধঃমড়হম ইধুধৎ চধরৎধঃর ড়হ জ & ওও জড়ধফ এলাকায় ৪১ মিটার দীর্ঘ আর্চ গার্ডার ব্রিজ নির্মাণকাজ চলছে| প্রকল্পটির প্যাকেজ ন¤^র একজওউচ/০৮/ঈইড-১৭৫| প্রায় ৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার চুক্তিমূল্যের এই কাজের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত|


এলাকাবাসীর অভিযোগ, যেখানে উন্নতমানের কালো পাথর দিয়ে ঢালাই কাজ করার কথা, সেখানে বালুমিশ্রিত সাদা পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে| এছাড়া সোলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত ইটও নিম্নমানের| স্থানীয় কয়েকজন জানান, “দীর্ঘদিন পর একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হচ্ছে| কিন্তু শুরু থেকেই কাজে অনিয়ম দেখা যাচ্ছে| আমরা প্রতিবাদ করলে কিছু লোক বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে|”


অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, কাজ সম্পূর্ণ সিডিউল অনুযায়ী করা হচ্ছে| ব্যবহৃত ইটগুলো এক ন¤^র হিসেবেই কেনা হয়েছে| যদি কোনো ইট নিম্নমানের প্রমাণিত হয়, তবে তা পরিবর্তন করা হবে|


পাথরের সঙ্গে বালু মিশ্রিত থাকার বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই পাথরগুলো অন্য একটি সাইট থেকে আনা হয়েছে| বর্তমানে যেভাবে আছে সেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না| পানি দিয়ে ধুয়ে বালি আলাদা করে পরিষ্কার পাথর দিয়েই কাজ করা হবে|


ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা চাইলে কাজের শিডিউল আমরা দেখাবো| নিম্নমানের সামগ্রীর অভিযোগ পুরোপুরি সঠিক নয়| সোলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত কিছু ইটে সমস্যা দেখা দেওয়ায় আমরা সেই কাজ আপাতত বন্ধ রেখেছি| তবে অন্য কাজগুলো ঠিকভাবেই চলছে|


বিকল্প রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে কোনো দুর্নীতি হয়নি| যদি বড় ধরনের সমস্যা থাকতো, তাহলে কাজ শুরুর সময়ই স্থানীয়রা বাধা দিতো|


এ বিষয়ে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী আসিফ মোহাম্মদ তন্ময় বলেন, নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়| সোলিংয়ের নিচে বালু দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই| সাধারণ মানুষ না বুঝে এসব অভিযোগ তুলছেন| এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় সাদা বা কালো পাথর বলে কিছু নেই| নির্ধারিত মান অনুযায়ী অ্যাগ্রিগেট ব্যবহার হলেই কাজ করা যায়|


তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা চাইলে ড্রয়িং ও শিডিউল দেখে বুঝে নিতে পারবেন| কাজে কোনো দুর্নীতি হচ্ছে না|



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত