বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চলতি অর্থ বছরে চার শতাংশ প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক

  • আপলোড তারিখঃ ১২-০৪-২০২৬ ইং
চলতি অর্থ বছরে চার শতাংশ প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং অন্যান্য সংস্থার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি চার শতাংশ হারে হতে পারে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা হ্রাস এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় প্রবৃদ্ধির এই ধারা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিলেও বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য ও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুকি এখনো রয়েছে। সাধারণ ইলেকশনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়া এবং ভোগ ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের কারণে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার ব্যাংকিং খাতের ঘাটতি পূরণে জোর দিচ্ছে, যেটা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে। মিডল ইস্টে সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে, যেটা মূল্যস্ফীতি উস্কে দিতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, পরবর্তী অর্থ বছরে (২০২৬-২৭) এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে চার দশমিক সাত শতাংশ হতে পারে।


২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি তিন দশমিক পাচ শতাংশে সীমিত থাকার পর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সেটা বাড়িয়ে চার শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা আমাদের জন্য শুভ বার্তা। বিনিয়োগ ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হওয়ায় প্রবৃদ্ধিতে এই উন্নতি দেখা দিতে পারে।


সরকারের সংস্কার কর্মসূচি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বেসরকারি খাতের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে সহায়ক হতে পারে। যথাযথ নীতি ও ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে গেলে অর্থনীতি আরো স্থিতিস্থাপক হয়ে উঠবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরে যেতে পারবে।


তবে চলতি অর্থ বছরে মূল্যস্ফীতি উচ্চ অবস্থানে থাকবে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় নয় শতাংশ হতে পারে। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে এই চাপ অব্যাহত থাকবে। তবেআগামী অর্থ বছরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে আট দশমিক পাচ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, তখন বৈশ্বিক চাপ কিছুটা কমবেএবং দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতিরও উন্নতি হতে পারে। চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি জিডিপির প্রায় ০ দশমিক পাচ শতাংশ হতে পারে। আগামী অর্থ বছরে এটি সামান্য বেড়ে ০ দশমিক ছয় শতাংশে দাড়াতে পারে। দেখা দিতে পারে আমদানি বাড়া এবং বাণিজ্য ঘাটতি সম্প্রসারণের ফলে এই প্রবণতা। তবে মিডল ইস্টের উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ স্বল্পমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছে এডিবি। সরবরাহ দিক থেকে সেবা খাতের পুনরুদ্ধার প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে পারে। গৃহস্থালির ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা ব্যয় বাড়ানো এবং আর্থিক খাতের সংস্কার এতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


অনুকূল আবহাওয়া ও নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে কৃষি খাতেও উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। চলতি অর্থ বছরে চার শতাংশ প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক।



কমেন্ট বক্স
notebook

উথলী হাইস্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা