মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দামুড়হুদায় স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম না বলায় উত্তেজনা, বিএনপির ক্ষোভ

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০৩-২০২৬ ইং
দামুড়হুদায় স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম না বলায় উত্তেজনা, বিএনপির ক্ষোভ

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আটকবর স্মৃতি সমাধিতে স্মৃতিচারণ করার সময় স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ  না করায় বিএনপি নেতা-কর্মীর ক্ষুব্ধ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আটকবর স্মৃতি সমাধিতে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পতাকা উত্তোলনের সময় এই ঘটনা ঘটে।


জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শহিদদের স্মরণে উপজেলার নাটুদাহের আটকবর শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এসময় নাটুদা হাইস্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক ও জামায়াতের রোকন আবু সাদেক উপস্থাপনা করার সময় বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র কালুরঘাট থেকে প্রচার করা হয়। কে প্রচার করল, তার নাম ঘোষণা না করায় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করেন। এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করেন।


পরে বিএনপি নেতৃবৃন্দরা প্রতিবাদ করলে নাটুদাহ  ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শামসুজ্জোহা বলেন, তার নাম উল্লেখ করতে হবে কেন? এসময় কথা-কাটাকাটির সৃষ্টি হয়, এমনটি দাবি করেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭১ সালে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, এই সত্য কথাটা লুকিয়ে রেখে বক্তব্য দেওয়ার কোনো মানেই হয় না। উপস্থাপনা করার সময় সত্য কথা বলতে কি সমস্যা? সত্য কথাটা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।


দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, ১৯৭১ সালে ২৬ শে মার্চ শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এই কথাটি উল্লেখ না করে রীতিমতো স্বাধীনতাকে অপমানিত করেছেন। যারা স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না তাদের মুখে এই ধরনের কথায় মানায়। এটা বাংলাদেশ জনগণ মেনে নেবে না। স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করা জাতির জন্য লজ্জা।


দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের আমির নায়েব আলী বলেন, নাটুদাহের আটকবর শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার সময় উপস্থাপকের কিছুটা ত্রুটি ছিল। এ কারণেই একটু বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেসবাহ উদ্দিন বলেন, যিনি উপস্থাপনা করছিলেন, তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করাই বিএনপি নেতৃবৃন্দদের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠানটি শেষ হয়েছে।


দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, নাটুদাহের আটকবর শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পতাকা উত্তোলন করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা। একজন স্কুলশিক্ষক পতাকা উত্তোলন ও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ মাইকে ঘোষণা করছিলেন। ওখানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।



কমেন্ট বক্স
notebook

চাচাতো ভাইয়ের দায়ের কো পে পা বিচ্ছিন্ন কৃষকের