রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

এখনো নিখোঁজ চমেক ছাত্রদল নেতা সোহাগ

৬ বছর ধরে অপেক্ষায় বৃদ্ধা মা!
  • আপলোড তারিখঃ ২২-০১-২০২৬ ইং
এখনো নিখোঁজ চমেক ছাত্রদল নেতা সোহাগ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্র ও ছাত্রদল নেতা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর গ্রামের এএসএম সাইদ সোহাগ গুম হওয়ার সাড়ে ৬ বছরেও ফিরে আসেনি। ছাত্রদল করার কারণে তাকে হত্যার পর গুম করা হয়েছে বলে পরিবারের আশঙ্কা। এদিকে মা মনোয়ারা বেগম ছেলের শোকে মুহ্যমান। গোটা পরিবারে আহাজারি। ছেলের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে পিতা মসিউর রহমানও বেঁচে নেই। ছেলের শোকে তিনি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই মারা যান।


সোহাগের বড় ভাই শামিম সরোয়ার ভুটার জানান, তার ভাই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা শেষ করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিজিটি কোর্সে অধ্যয়নরত ছিলেন। তিনি ওই হাসপাতালের ছাত্রাবাসের ১০৫ নম্বর রুমে থাকতেন। তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালের ২৩ জুন রাতে তার পিতার (পিতা তখন জীবিত) কাছে ফোন আসে সোহাগ গুরুতর অসুস্থ। পিতার ফোন রিসিভ করে অস্বাভাবিকভাবে কথা বলেন সোহাগ। এরপর থেকে নিখোঁজ হয় সোহাগ। স্বজনরা বরিশাল শহরের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও সন্ধান পায়নি সোহাগের।


সোহাগের চাচাতো ভাই আশরাফুল ইসলাম লিংকন জানান, সোহাগকে না পেয়ে পরিবারের বড় ভাই শামিম সরোয়ার ভুটার ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যার জিডি নম্বর ১৩১০। জিডি করার প্রায় ৬ বছর ৭ মাস চলে গেছে, তারপরও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি চিকিৎসক ভাই সোহাগের।


পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সে সময় বরিশাল মেট্রোপলিট্রন পুলিশ কমিশনার সাহাবুদ্দিন জানিয়েছিলেন সোহাগকে উদ্ধারের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেছে পুলিশ, কিন্তু তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রুমে থাকায় অবস্থান সনাক্ত করা যায়নি।
পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, সোহাগ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের ডিবি পুলিশ ২০১৫ সালে তুলে নিয়ে যায় এবং ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। ছাত্রলীগের দায়ের করা মামলায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ আসামিও ছিলেন। তাছাড়া সোহাগ চট্টগ্রাম ও বরিশাল প্রশাসনের নজরদারির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের টার্গেটে পরিণত হয়। এসব কারণে চিকিৎসক সোহাগকে গুম করা হতে পারে বলে তার ভাই শামিম সরোয়ার ভুটার মনে করেন। 


বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান সাজু বুধবার জানান, ছাত্রদল নেতা সোহাগের নিখোঁজের বিষয়টি সম্পর্কে মহেশপুর থানা পুলিশ অবগত নয়। বিষয়টি অনেক আগের হওয়ায় তিনি খোঁজ খবর নিয়ে জানাতে পারবেন বলেও জানান।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত