শনিবার, ২৯ অগাস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পুলিশ সুপার গৌতম কুমারের পদায়ন প্রত্যাহার দাবি

চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত, এনসিপি ও এবি পার্টির মানববন্ধন

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০৯-২০২৫ ইং
পুলিশ সুপার গৌতম কুমারের পদায়ন প্রত্যাহার দাবি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) গৌতম কুমার বিশ্বাসকে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়নের আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গাবাসী আয়োজনে এমন একটি ব্যানারে আজ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সামনে প্রায় শতাধীক মানুষকে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করতে দেখা যায়। এতে অংশ নেন জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও এবি পার্টির নেতাকর্মীরা। গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে গৌতম কুমার বিশ্বাসকে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়ন করা হয়।


জানা গেছে, গৌতম কুমার বিশ্বাস বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ডিএমপিতে পদায়নের আগে তিনি ময়মনসিংহ পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার, পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ একাধিক ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘গৌতম কুমার টানা চার বছর (২০১৬-২০ সাল পর্যন্ত) পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নানান বিতর্কে জড়ান। বিশেষ করে এই পুলিশ কর্মকর্তা মাগুরা-২ (শালিখা, মোহম্মদপুর ও সদরের কিছু অংশ) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য বীরেন শিকদারের নিকটাত্মীয় পরিচয় দিতেন। সেই প্রভাব দেখিয়ে তিনি পাবনায় চলতেন। বিভিন্ন সময় ইসলামি জলসা বন্ধ, বিএনপি-জামায়াতের কর্মসূচি অনুমতি না দেওয়া এবং পণ্ড করে দেওয়াসহ নানান অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।


বক্তারা আরও বলেন, ‘পাবনায় থাকা অবস্থায় বিএনপি ও জামায়াতের বহু নেতাকর্মীকে লোমহর্ষক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার নাম শুনলেই বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সব সময় তটস্থ থাকতেন। বিএনপি-জামায়াতকে নির্যাতনের পুরস্কার হিসেবে ২০১৮ সালে তাকে পুলিশ সুপার (এসপি) পদে পদোন্নতি দিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার। তিনি আওয়ামী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে গর্ববোধ করতেন। তার পদায়নে বিএনপি ও জামায়াতের নির্যাতিত নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ।’ অবিলম্বে চুয়াডাঙ্গায় তার পদায়ন প্রত্যাহার করে তার বিচার দাবি করা হয় মানববন্ধনে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, এবি পার্টির সভাপতি আলমগীর হোসেন, এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী সমির হোসেন, ৯ নং ওয়ার্ড পৌর জামায়াতের সভাপতি শরিফ হাসান, ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি নুরুজ্জামান, ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, রফিউল কাদির ও সুমন রেজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। 



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গা জেলা লেখক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট কাজী হায়দারের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত