ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি ও মানবাধিকার কর্মী অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু আর নেই। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকার এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তিনি স্ত্রী, চার ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ আগস্ট ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত ঢাকার আল-মানার হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মস্তিষ্কে জটিল অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর তিনি কোমায় চলে যান এবং আট দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আমিনুর রহমান টুকুর মৃত্যুর খবর ঝিনাইদহে পৌঁছালে সাংবাদিক মহল, রাজনৈতিক অঙ্গন ও সুশীল সমাজে শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে সহকর্মী সাংবাদিক, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু মহল তার বাড়িতে ছুটে যান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, সাবেক সভাপতি এম রায়হান, সাইফুল মাবুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম জোয়ারদার বাবলু, মাহমুদ হাসান টিপু, আজাদ রহমান, ফয়সাল আহমেদ, দৈনিক নবচিত্র পত্রিকার প্রকাশক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন আজাদ প্রমুখ। সাংবাদিক নেতারা এক বিবৃতিতে বলেন, আমিনুর রহমান টুকু ছিলেন জেলার সাংবাদিকদের অভিভাবক ও সমাজ সচেতন ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যুতে জেলাবাসী হারালো এক সুনাগরিককে।
এছাড়া শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা জামায়াতের আমীর আবু বকর মোঃ শাহজাহান, সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আবু হুরায়রা, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা তারেক রহমান, ঝিনাইদহ ফোরামের সভাপতি মহাব্বত হোসেন টিপু ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান প্রমুখ।
ঝিনাইদহ অফিস