ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর নারায়ণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক সোহেল রানার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষের সামনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, স্থানীয় সুশীল সমাজ এবং অভিভাবকরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সোমবার স্কুলের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ দেরিতে ক্লাসে আসায় সহকারী প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা অশোভন ভাষায় কথা বলেন।
এসময় আব্দুল লতিফ প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে ফেলে দেন। পরে গিয়ে গুরুতর আহত হন শিক্ষক আব্দুল লতিফ। শিক্ষককে মারধর করার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সহকারী প্রধান শিক্ষক সোহেল রানার বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অভিযোগ রয়েছে। মেয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, শিক্ষার্থীদের মারধর, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ১৫ লাখ টাকা দিয়ে চাকরি নেওয়া, সহকর্মীদের গায়ে হাত তোলা এবং প্রতিষ্ঠান থেকে সিসি ক্যামেরা কেনার নামে ৩০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
স্কুলের সাবেক ছাত্র রকি বলেন, ‘সোহেল রানা যে কাজ করেছে, অবিলম্বে তাকে অপসারণ করতে হবে। না হলে আগামীকাল বুধবার আরও কঠোর আন্দোলনে যাবে এলাকার মানুষ ও অভিভাবক সমাজ।’ এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবু দাউদ ও এডহক কমিটির সভাপতি আরশাদ আলী জানান, ‘বুধবার সকালে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝিনাইদহ অফিস