রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ঝিনাইদহে স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিতরণে ‘চাঁদাবাজির’ অভিযোগ

শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রতি শিক্ষকদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ
  • আপলোড তারিখঃ ০৮-০৮-২০২৫ ইং
ঝিনাইদহে স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিতরণে ‘চাঁদাবাজির’ অভিযোগ

ঝিনাইদহে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিতরণের সময় টাকা নেওয়া অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়েছে। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করেছেন। জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বাড়াতে জেলার প্রাইমারি স্কুলগুলোতে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর প্রদান করা হয়। এই প্রজেক্টগুলো বরিশাল থেকে ঝিনাইদহে আনা হয়। সরকারিভাবে এসব মালামাল বহনের খরচ জোগান দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রত্যেক স্কুল থেকে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।


আব্দুল মজিদ নামে এক প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন, তার স্কুলে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর প্রদান করা হয়েছে। বিতরণের দিন তার কাছ থেকে দেড়শ টাকা গ্রহণ করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডুর একাধিক শিক্ষক তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে স্বীকার করে বলেন- প্রায়ই শিক্ষা অফিসকে নানা ছুতোয় টাকা দিতে হচ্ছে।



জেলার একাধিক শিক্ষক জানিয়েছে, ঝিনাইদহ সদর, শৈলকূপার ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় ১৫০ টাকা করে এবং কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুরে ২০০ টাকা করে গোট জেলা থেকে এক লাখ ১৫ হাজার টাকার চাঁদা তোলা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোটচাঁদপুরের একজন শিক্ষক জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ৫২টি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর দেওয়া হয়েছে। ভাড়া বাবদ শিক্ষা অফিসার ২০০ করে মোট ১০ হাজার ৪০০ টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস নিয়েছে ৫ হাজার ২০০ টাকা। একইভাবে কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর উপজেলা থেকেও টাকা গ্রহণ করা হয়েছে বলে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন।


শামারুখ পারভীন রুবি নাম এক শিক্ষক বলেন, বরিশাল থেকে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর আনতে ট্রাক ভাড়া কি লক্ষাধিক টাকা হবে? যদি নাহয়, তবে এই অতিরিক্ত টাকা কার পকেটে আছে তা খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, প্রায়ই এভাবে নানা অজুহাতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা টাকা নিয়ে থাকেন। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার।


এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনান্দ কিশোর সাহা বলেন, জেলায় ৫৭৭টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু বরিশাল থেকে এই প্রজেক্টর আনা হয়েছে, সেখানে লোড আনলোড এবং বহনের খরচ আছে। সরকার থেকে কোনো খরচ না দেওয়ায় প্রত্যেক স্কুল থেকে ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বাড়তি কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। যদি এর বাইরে কেউ অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকে, সেই দায়ভার তার।



কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত