ঝিনাইদহের একটি অবৈধ পলিথিন কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাতে গিয়ে বিপত্তি দেখা দেয়। অভিযান চালিয়ে এহসান পিপি নামের ওই পলিথিন কারাখানা মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সন্ধ্যার দিকে কারখানার মালামাল জব্দ করতে গেলে স্থানীয় জনতা দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পদ্মাকর ইউনিয়নের হাটগোপালপুরের কলোনিপাড়ায়।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গতকাল রোববার এহসান পিপি নামের প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মুনতাছির রহমান। অভিযান শেষে সন্ধ্যায় কারখানার মালামাল জব্দ করতে গেলে স্থানীয় জনতা ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
এসময় শত শত জনতার সামনে এহসান পিপি কারখানার পরিচালক শামিম হোসেন অভিযোগ করেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মুনতাছির প্রতি মাসে মাসোহারা নিয়ে যান। আবার তিনিই এসে জরিমানা করেন।
এদিকে ম্যাজিস্ট্রেট ও পরিবেশ কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করার বিষয়টি জানাজানি হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্রী জিৎ কুন্ডু। তিনি যৌথ বাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে সেনা উপস্থিতিতে পলিথিন কারখানাটি সিলগালা করে মালামাল হাটগোপালপুর দোকান মালিক সমিতির ক্যাশিয়ার জাহিদ হাসানের জিম্মায় রাখা হয়।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও নেজারত ডেপুটি কালেক্টর শ্রী জিৎ কুন্ডু জানান, সেখানে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি, তবে বাগবিতন্ডা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
ঝিনাইদহ অফিস