ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে অবৈধভাবে সার বিক্রি ও রশিদ না দেওয়ার অভিযোগে মের্সাস রিমী বীজ ভান্ডারের মালিক আমিরুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা হয়েছে ৪০ বস্তা ডিএপি সার। জব্দ করা সার সাধারণ কৃষকদের মাঝে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বি. এম. তারিক উজ-জামান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগকারী সোহরাব হোসেনের দাবি অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীরের নির্দেশে এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গোবিন্দ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে শুড়া গ্রামে অভিযান চালানো হয়। সেখানে চুয়াডাঙ্গার দশমাইল বাজারে আনোয়ার হোসেনের কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে পাঠানো সার দুখু মিয়ার আলমসাধু গাড়ি থেকে জব্দ করা হয়।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কৃষক সংগঠনের ঝিনাইদহ শাখার সভাপতি কামরুজ্জামান বলেন, ‘অসাধু ব্যবসায়ীরা গোডাউনে সার মজুদ রেখে সংকট তৈরি করছে এবং হরিণাকুণ্ডুর কৃষকের সার বাইরের জেলায় বিক্রি করে সংকট আরও বাড়াচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা বেশি দামে সার বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, ‘এখন সারের কোনো ঘাটতি নেই। তারপরও কোথাও কোথাও সংকটের অজুহাতে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ আসছে। অভিযোগ পেলেই আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
প্রতিবেদক, হরিণাকুণ্ডু: