দুর্নীতির দায়ে বহুল আলোচিত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান মিলনকে সিলেটের গোয়াইনঘাট থেকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। ঘাটে ঘাটে ঘুষ খাওয়া এই কর্মকর্তার বদলিকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফুঁসছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। তারা তাকে প্রতিহতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। গত ৯ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন সাক্ষরিত আদেশে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে তাকে ঝিনাইদহে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
শিক্ষকদের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অধিদপ্তর তাকে ঝিনাইদহে এনেছে। এর আগে তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দায়িত্বে ছিলেন, দুর্নীতির অভিযোগে সেখান থেকে তাকে ভোলায় বদলি করা হয়। পরে সেখান থেকেও দুর্নীতির কারণে তাকে সরানো হয়। কয়েকজন শিক্ষক বলেন, তারা ঝিনাইদহ সদরে এই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাকে চান না। তারা বর্তমান কর্মকর্তা মুস্তাক আহম্মদকে বহাল রাখার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে স্কুলগুলোতে অর্থ ছাড়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিজিটাল হাজিরা মেশিনের নামে ১৯১টি স্কুল থেকে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে মো. আক্তারুজ্জামান মিলন বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। নিয়ম মেনে বদলি হয়েছেন। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। ঝিনাইদহে যোগদান করলে সবার সঙ্গে দেখা ও কথা হবে।
ঝিনাইদহ অফিস