মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে গ্রপ্তার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীকে (৫০) মুচলেকায় মুক্তি দেয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে উপজেলার এলাঙ্গি গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তার বাড়ির আঙিনাসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিনটি ককটেল উদ্ধার করে যৌথ বহিনীর সদস্যরা। থানায় হস্তান্তরের পর সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বড় ভাই বজলুল হকের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গাংনী সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা জাফর আলীর বাড়িতে অভিযান চালান। প্রথমে বাড়ির ভেতর ও আঙিনা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে কিছু না পেলেও, বাড়ি সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এসময় তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে হেফাজতে নিয়ে গাংনী সেনা ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পিস্তলের প্রকৃত মালিকানা যাচাইয়ের জন্য আরও তদন্ত অব্যহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত বিদেশি অস্ত্র ও বিস্ফোরক জব্দ করে গাংনী থানায় হস্তান্তর করা হয়। গতকালই জাফর আলীকে থানায় হস্তান্তরের পর সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বড় ভাই বজলুল হকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, ‘জাফর আলীকে সেনাবাহিনী থানায় হস্তান্তর করে ও হস্তান্তরের পর তাকে সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্ত মতে বড় ভাইয়ের জিম্মায় মুক্তি দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে উদ্ধারকৃত বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিনটি ককটেলের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
প্রতিবেদক গাংনী